বিজ্ঞাপন
উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পেশাদার সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়।
সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা ও ডিআরইউর পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রথম পর্বের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে বেলা ১১টায় বের করা হয় বর্ণাঢ্য র্যালি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এমপি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. রুহুল কবির রিজভী।
এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর মিডিয়া পরিচালক এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভুঁইয়া, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালক মো. কাজিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে দুপুর ১টায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। এ পর্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. মঈন খান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, পিস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শফিক রেহমান, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুসসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
আরও পড়ুন
সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা নেই: তথ্যমন্ত্রী
দুপুর ২টায় ডিআরইউর সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। পরে বিকেল ৪টায় দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিভিন্ন আয়োজনে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, পেশাজীবী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি পেশাদার সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ ও অধিকার আদায়ে ভূমিকা রেখে আসছে।
ইএআর/এএমএ
বিজ্ঞাপন