ব্রেকিং নিউজ
মহাখালীতে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার, যান চলাচল স্বাভাবিক টাকা এল, শান্তি গেল! নিষিদ্ধ জগতে তরুণের জীবন ‘জাহান্নাম’ আর্মি মেডিকেল ও আর্মি ডেন্টাল কোরের অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাপ্রধান রিট খারিজ, গ্রামীণ কল্যাণকে ৬০০ কোটির বেশি টাকা পরিশোধ করতে হবে রাজশাহীতে সেনাসদস্য রিফায়াতকে অশ্রুসিক্ত বিদায়, মায়ের কবরের পাশে দাফন রাজশাহীতে জুয়েলার্সে চুরি: আড়াই মাস পর ২৬ ভরি সোনা, ২৫ লাখ টাকাসহ আটজন গ্রেপ্তার ক্রেতা সেজে ছাত্রদল নেতার বাসা থেকে ৭০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করল পুলিশ এমপিদের ফোন নম্বর হ্যাক করে চিফ হুইপকে কল, কী বললেন হ্যাকাররা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার স্বপ্ন অদম্য হান্নানের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ঝুঁকিতে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা
জাতীয়

শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে কসর নামাজ পড়তে হবে?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
পুরুষদের ক্ষেত্রে শ্বশুরবাড়ি যদি তার নিজের বাড়ি থেকে সফর পরিমাণ দূরে (৭৮ কিলোমিটার প্রায়) অবস্থিত হয় এবং তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ১৫ দিনের কম সময় থাকার নিয়ত করেন, তাহলে তিনি সেখানে মুসাফির গণ্য হবেন এবং নামাজ কসর করবেন। আর নারীদের ক্ষেত্রে বিয়ের পর অনেক সময় শ্বশুরবাড়ি স্থায়ী আবাস গণ্য হয়, অনেক সময় বিয়ের পরও বাবার বাড়িই তার স্থায়ী আবাস হিসেবে বহাল থাকে। কোনো নারী যদি বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে স্বামীর সঙ্গে স্থায়ীভাবে বসবাস করা শুরু করেন, মাঝে মাঝে কিছুদিনের জন্য বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান, তাহলে শ্বশুরবাড়ি বা স্বামীর বাড়িই ওই বিবাহিত নারীর স্থায়ী ঠিকানা বা আবাস গণ্য হয়। তাই তার বাবার বাড়ি যদি স্বামীর বাড়ি থেকে সফর পরিমাণ (৭৮ কিলোমিটার প্রায়) দূরত্বে অবস্থিত হয়, তাহলে ওই নারী ১৫ দিনের কম সময়ের জন্য বাবার বাড়িতে বেড়াতে গেলে সেখানে মুসাফির গণ্য হবেন এবং নামাজ কসর করবেন। শ্বশুরবাড়িতে পূর্ণ নামাজ পড়বেন। কোনো নারী যদি বিয়ের পরও বাবার বাড়িতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন, তাহলে বাবার বাড়িই তার স্থায়ী ঠিকানা গণ্য হবে। মাঝে মাঝে ১৫ দিনের কম সময়ের জন্য শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে সেখানে তিনি কসর করবেন যদি শ্বশুরবাড়ি বাবার বাড়ি থেকে সফর পরিমাণ (৭৮ কিলোমিটার প্রায়) দূরত্বে অবস্থিত হয়। আরও পড়ুন স্ত্রী একা থাকতে ভয় পেলে স্বামী কি ঘরে নামাজ পড়তে পারবেন? সফরে নামাজ কসর করার বিধান সফরের ক্লান্তি ও কষ্ট বিবেচনা করে ইসলাম মুসাফিরদের শরিয়ত পালনে কিছু ছাড় দিয়েছে। যেমন রমজানের ফরজ রোজা মুসাফিররা চাইলে ভেঙে পরে কাজা করে নিতে পারেন, জুমার নামাজ ও কুরবানি মুসাফিরদের ওপর ওয়াজিব নয়। এ ছাড়া প্রতিদিনের চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজগুলো অর্থাৎ জোহর, আসর ও ইশার নামাজ মুসাফিরদের জন্য আল্লাহ কসর বা সংক্ষীপ্ত করে দিয়েছেন। সফর অবস্থায় এ নামাজগুলো দুই রাকাত পড়তে হয়। আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতাআলা বলেন, যখন তোমরা দেশে-বিদেশে সফর কর, তখন নামাজ সংক্ষেপ করাতে দোষ নেই। (সুরা নিসা: ১০১) আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জবানে মুকিম অবস্থায় চার রাকাত ও সফর অবস্থায় দুই রাকাত নামাজ ফরজ করেছেন। (সহিহ মুসলিম: ৬৮৭) মাগরিব ও ফজরে কসর নেই। এ দুই ওয়াক্তের ফরজ নামাজ যথাক্রমে তিন রাকাত ও দুই রাকাতই আদায় করতে হবে। ফরজ ছাড়া অন্য নামাজগুলো কসর হয় না। তাই সেগুলো আদায় করলে পরিপূর্ণভাবেই আদায় করতে হবে। বেতর তিন রাকাতই আদায় করতে হবে। তবে সুন্নাতে মুআক্কাদা নামাজ অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফরজের সাথে প্রতিদিন যে বারো রাকাত সুন্নাত নামাজ আমরা আদায় করে থাকি, এগুলো সফর অবস্থায় আবশ্যক থাকে না। ক্লান্তি বা ব্যস্ততা থাকলে এই নামাজগুলো ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। তবে সময় সুযোগ থাকলে পড়ে নেওয়াই উত্তম। আরও পড়ুন ‘প্রেমিক যুগলের জন্য বিয়ে সর্বোত্তম’ কেন বলেছেন মহানবী (সা.)? ওএফএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>