জাতীয়

কার্বোনেটেড ড্রিংক

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

কখনো কি পান করেছ ‘কার্বোনেটেড’ ড্রিংক?

জবাব দেওয়ার আগে একটু ভাবো, মানে—থিঙ্ক!

‘পান করা তো দূরের কথা—দেখিওনি চেখে’

এমন কথা মনে মনে ভাবছ বলো কে কে?

এবার বলো খাওনি কে কে কখনো কোল্ড ড্রিংক

রং—বাদামি, কমলা, স্বচ্ছ, হলুদ, লাল বা পিঙ্ক!

চিনলে তো ঠিক! সুযোগ পেলেই হামেশা যা খাচ্ছ

খেতে খেতে ফুর্তিতে কেউ কখনোবা নাচছ।

দেশে দেশে আছে এদের হরেক রকম নাম

সেসব থেকে অল্প কিছু আমি জানালাম—

ফিজি, লিমো, সোডা, জুসু আরও কত–কী

রিফ্রেসকো, পপ, বুয়াসম গ্যাজু্‌জ, রেফ্রিজারেন্টি।

খুললে তুমি বোতল বা ক্যান এরা করে ফোঁস

উপচে পড়ে, ভাবো এতে তোমার বুঝি দোষ।

কার্বন ডাই–অক্সাইড এতে থাকে দ্রবীভূত

খুলতে গেলেই গ্যাস-পানীয় বেরোতে চায় দ্রুত

শব্দটা হয়—দ্রুত এ গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার ফলে

গ্যাসের চাপই দায়ী এতে—বিজ্ঞান এমন বলে।

বলছি এসব ড্রিংকে আরও থাকতে পারে যা যা

রাখতে একে লোভনীয়, সুস্বাদু ও তাজা—

পানি হলো এসব ড্রিংকের প্রধান উপাদান

পাঁচ-ছয় চামচ এক বোতলে চিনির পরিমাণ;

কোল্ড ড্রিংক থেকে প্রাপ্ত শক্তির হিসাব যদি করি

চিনি থেকেই আসে এতে সিংহভাগ ক্যালরি।

ফসফরিক বা সাইট্রিক অ্যাসিড ড্রিংকে অল্প থাকে

ঝাঁজালো বা টকের স্বাদটা এরাই বজায় রাখে।

কিছু ড্রিংকে ক্যাফেইনও অল্প পরিমাণে

থাকে; ত্বরিত দেহমনে চাঙা ভাব সে আনে।

আর কী থাকে—ফুড কালার ও গন্ধ উপাদান

বর্ণে–স্বাদে এরা বাড়ায় গুণগত মান।

সবার কাছে এসব বস্তু কেন এত প্রিয়?

ভাবছ খুবই উপকারী তবে এই পানীয়।

খুলেই বলি—সত্যিকারে ব্যাপারটা ঠিক তা না

ক্ষতিকারক দিকগুলোও উচিত তোমার জানা।

একনাগাড়ে অনেক কথা হয়ে গেছে বলা

বলতে বলতে আমার দেখি শুকিয়ে কাঠ গলা

বাকি তথ্য নাও না জেনে গুগল এআই ঘেঁটে!

এই ফাঁকে ড্রিংক একটুখানি চালান করি পেটে।

*লেখাটি ২০২৫ সালে বিজ্ঞানচিন্তায় জুলাই সংখ্যায় প্রকাশিত

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>