ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০ জন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
সোমবার দিবাগত রাতে এ হামলায় কিয়েভে নিহত আটজনের মধ্যে ছয়জনই দেশটির রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে কোম্পানির কর্মী। রেলের একটি ডিপোতে হামলা চালানো হলে তাঁরা নিহত হন।
হামলার পর কিয়েভের তিনটি জেলায় আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বোরিসপিল শহরে একটি আবাসিক ভবনে হামলায় আরও চারজন নিহত হন।
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী থেকেও এ হামলার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক শিল্প এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলগোরোদ অঞ্চলে একজন নিহত হয়েছেন। সেখানকার ভারপ্রাপ্ত গভর্নর আলেকসান্দর শুভায়েভ এ কথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া ‘বিপুলসংখ্যক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ ছুড়েছে। এ হামলার পর কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় ৩৫০ জন উদ্ধারকর্মী রাতভর কাজ করেছেন।
ইউক্রেনের আরও আটটি অঞ্চলে রাতভর হামলা চালানো হয়েছে বলে জানান জেলেনস্কি। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন।
পরে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান ভিহিভস্কি বলেন, ওই ভারতীয় নাগরিকের বয়স ২৬ বছর। মঙ্গলবার তাঁর জন্মদিন ছিল। তিনি বোরিসপিলে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত হন।
এক দিন আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের প্রতিটি দিন মানবতাকে পেছনে ফেলে দিচ্ছে। রাশিয়ার কাছ থেকে কম দামে তেল কেনে ভারত।
সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b>
|
নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>