বিজ্ঞাপন
কুয়েতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। কুয়েতি সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে আসা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলা করছে।
কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রুতাপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।’
আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ
কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ‘শত্রুতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু’ ভূপাতিত করার কারণে হয়েছে।
আরও পড়ুন
ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় শিশুসহ নিহত ৫, আহত ৬৩
নিরাপত্তা ও জনসাধারণের সুরক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কুয়েতের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি দাবি করেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও এই হামলার লক্ষ্য ছিল।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এর মধ্যে একটি ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে। হামলার পর ওই ঘাঁটির ওপর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
আইআরজিসির দাবি / যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি ৩৭০০ কোটি টাকার ড্রোন ধ্বংস
তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি ইরানের
ইরানের দাবি, কুয়েতে তাদের হামলার লক্ষ্য সাধারণ মানুষ নয়। বরং দেশটিতে থাকা মার্কিন সামরিক উপস্থিতি লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
কুয়েত থেকে অবিলম্বে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি বুধবার জানিয়েছিল, তারা কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতেমার্কিন কমান্ডারের সদর দপ্তর ও আবাসন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে উত্তেজনা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় এক মাসের যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি আবারও তীব্র সংঘাত শুরু হয়।
লরাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান পাল্টা হামলা চালায়। এরপর উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশেও হামলার ঘটনা ঘটে।
সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবও ইরানের হামলার মুখে পড়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সিকেএএ/
বিজ্ঞাপন