জাতীয়

ক্লাসে উপস্থিতিতে উৎসাহ দিতে নোবিপ্রবিতে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স’

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি, নিয়মানুবর্তিতা ও অধ্যবসায়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিবলুর রাহমান। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি চালু করেছেন ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স’। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে শুরু হওয়া এ উদ্যোগের আওতায় প্রথম ধাপে শতভাগ ক্লাসে উপস্থিত থাকা বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত বিশেষ স্মারক ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হয়েছে। স্মারকের মধ্যে ছিল ক্যাপ, মগ ও পানির বোতল। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. মোস্তাকিম মিয়া, মো. রকিবুল ইসলাম রকি ও প্রীতম চন্দ্র কুরি। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের রাকিব হাসান, অলক দেবনাথ, আবদুর রহমান জুবায়ের ও মীর মুজাহিদুজ্জামান এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মো. মাসুদুর রহমান (সৈকত), মোসা. চম্পা খাতুন, আইরিন সুলতানা রিয়া, হাফসা আক্তার ও মেহেদী হাসান। উদ্যোগটির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিবলুর রাহমান বলেন, ‘জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণকালীন সময়ে দেখেছি কীভাবে শৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো হয়। সেই অভিজ্ঞতার ইতিবাচক প্রভাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এ পদক্ষেপ। এ কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা আর্থিক সহায়তা নেওয়া হয়নি, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে এটি শুরু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তা অব্যাহত থাকবে।’ সম্মাননা সনদ প্রসঙ্গে ড. শিবলুর রহমান বলেন, ‘এটি শিক্ষার্থীদের নিয়মানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি। ভবিষ্যতে চাকরির ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতা ও শৃঙ্খলাবোধের প্রমাণ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এই সনদ তাদের সিভিতেও যুক্ত করতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা ও শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতে প্রতিটি সেমিস্টারে তার নিজ কোর্সের ওপর ‘স্টুডেন্ট ইভালুয়েশন’ বা শিক্ষার্থী মূল্যায়ন চালু করবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মতামত ও সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোর্স কারিকুলাম ও পাঠদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন করা হবে।’ পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. মাসুদুর রহমান (সৈকত) বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিতির জন্য এরকম উপহার দেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ উৎসাহের বিষয়। সকল শিক্ষক যদি এরকম উদ্যোগ নিতে চেষ্টা করে তাহলে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা হলেও বাড়ানো সম্ভব। এই রিওয়ার্ডগুলো দেওয়া স্যারদের জন্য খুব কঠিন ব্যাপার না, তবে এগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ অনুপ্রেরণামূলক হতে পারে। চাইলেই এরকম ছোট একটা উদ্যোগও বড় কিছু হতে পারে। স্যারের এই সুন্দর উদ্যোগটি অন্যান্য সকল শিক্ষকদের জন্যও আমি অনুকরণীয় বলে মনে করি। আরেক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী আবদুর রহমান জুবায়ের বলেন, ‘ক্লাসে উপস্থিতির জন্য এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও অনুপ্রেরণার। এটি কেবল একটি উপহার নয়, বরং পড়াশোনার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিল।’ এসজেডএইচ/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>