ব্রেকিং নিউজ
আড়াই বছরেও জোড়া লাগেনি হাড়, ম্যানেজ করেই খেলতে হবে বর্ষণকে সংসদে মির্জা আব্বাস, বললেন ‘ফিরে এসেছি মানুষের কাছে’ আন্তর্জাতিক বাজারের সূত্রেই সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয়: বাণিজ্যমন্ত্রী উত্তমের নায়িকারা: এক নায়ক, বহু রঙের প্রেম ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিলেন পুতিন আসামি বহনকারী পুলিশের পিকআপ উল্টে প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের ছাত্রশক্তির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহসান লাবিব জাবিতে হত্যা মামলার আসামি ইউনিলিভার-নেসলে-বিকাশসহ বড় কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে চায় বিএসইসি সংসদ থেকে ফেরার পথে জিয়া-খালেদা জিয়ার সমাধিতে মির্জা আব্বাসের শ্রদ্ধা উগ্রপন্থিদের দমনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কৌশল, এবার নজর আফ্রিকায়
জাতীয়

ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফিতে বড় পরিবর্তন আনলো বিসিবি

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
সংস্কার করার জন্য বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর আয়োজন করছে না বিসিবি। এরপর থেকে এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার জন্য কোয়াব ও বিসিবির মধ্যে দুই দফা মিটিংও হয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানালেন, ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রত্যেক টুর্নামেন্টের ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে। শুধু বিপিএলে সুযোগ পাওয়া ৬০-৭০ জন খেলোয়াড় নয়; প্রথম শ্রেণি, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত খেলা ১৫০ থেকে ২০০ ক্রিকেটারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান বলে জানান তিনি।   শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন তামিম। তার সঙ্গে ছিলেন বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রব্বানী।  শুরুতে তামিম নিজেই সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব আসার কথা জানিয়ে তামিম বলেন, ‘খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকেও একটি-দুটি প্রস্তাব এসেছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা দুই পক্ষ মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি...আমি অবশ্য এটাকে কোনোভাবেই দুই পক্ষ হিসেবে দেখি না। এখানে আসলে একটি পক্ষই আছে। ক্রিকেটার, ক্রিকেট বোর্ড, পরিচালক, সভাপতি-আমরা সবাই এক।’ ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের সংখ্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে যে বিষয়টি বিবেচনা করেছি, সেটি হলো বাংলাদেশের ক্রিকেটে সুবিধা যেন শুধু একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। বিপিএলে সাধারণত ৫০, ৬০, ৬৫ কিংবা সর্বোচ্চ ৭০ জন স্থানীয় ক্রিকেটার খেলার সুযোগ পান। কিন্তু পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের কথা চিন্তা করলে প্রথম শ্রেণি, লিস্ট-এ ও টি-টোয়েন্টি-এই তিন সংস্করণ মিলিয়ে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ক্রিকেটার নিয়মিতভাবে সম্পৃক্ত থাকেন।’ তামিমের মতে, বিপিএল না হওয়া এবং ঢাকা লিগে আগের তুলনায় আর্থিক সুবিধা কমে যাওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। এ কারণে শুধু এক বছরের জন্য আর্থিক সহায়তা না দিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা করতে চায় বিসিবি। এর আগে বিসিবি প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন ও অন্যান্য ক্রিকেটাররা দাবি তুলেছিলেন, তাদের আয় যেন বিপিএল বা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ কেন্দ্রিক না হয়। পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের মাধ্যমে যেন আর্থিক স্বচ্ছলতা আসে, সেই কথা বলেছিলেন। সেই দাবি মেনে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এসেছে বিসিবির পক্ষ থেকে। ম্যাচ ফি বাড়িয়ে বিসিবি প্রধান স্পষ্ট করেন, ঢাকা লিগে ক্রিকেটারদের কম পারিশ্রমিক পাওয়া ও বিপিএল না হওয়ার প্রভাব পড়বে না ক্রিকেটারদের আয়ে। তামিম বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামগ্রিক কল্যাণ কীভাবে নিশ্চিত করা যায়। ঢাকা লিগ থেকে কয়েক বছর আগে যে পরিমাণ আর্থিক সুবিধা পাওয়া যেতো, সেটি হয়তো এখন কিছুটা কমেছে। তার ওপর এ বছর বিপিএল না হওয়ায় ক্রিকেটারদের ওপর আর্থিক চাপও তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই খেলোয়াড়দের জন্য এক বছরের কোনো সমাধান চাইনি। আমি চেয়েছি, আমার বোর্ডও চেয়েছে-এমন একটি ব্যবস্থা করা হোক, যেটা শুধু এই বছর নয়, বছরের পর বছর ক্রিকেটারদের উপকারে আসবে। তারা যেন প্রতিবছর এই সুবিধা পেতে পারে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।’  ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান বিসিবি সভাপতি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ওয়ানডেতে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ম্যাচ ফি নিয়েও আমরা বড় পরিবর্তন এনেছি। আগে প্রথম শ্রেণির চার দিনের ম্যাচে একজন খেলোয়াড় ৭০ হাজার টাকা করে ম্যাচ ফি পেতেন। আমি (তামিম ইকবাল) অ্যাডহক কমিটিতে আসার পর (গত এপ্রিলে) সেটি ১ লাখ টাকা করেছিলাম। এরপর অবশ্য এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচও হয়নি। তাই ৭০ হাজার টাকা ধরেই বলছি-এখন থেকে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে একজন খেলোয়াড় ম্যাচপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাবেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ছিল ৫০ হাজার টাকা, সেটি বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে আগে ৪০ হাজার টাকা করে পাওয়া যেত, এখন থেকে সেখানে ম্যাচপ্রতি ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’  নারী ক্রিকেটেও ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে, ‘তিন দিনের ম্যাচে আগে ২০ হাজার টাকা ছিল। আমরা আলোচনা করছি, এটিকে চার দিনের ম্যাচে রূপান্তর করা যায় কি না, যাতে খেলোয়াড়েরা টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারেন। ২০ হাজার টাকা এখন বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। লিস্ট-এ ক্রিকেটে যেটা ১৫ হাজার টাকা ছিল, সেটি করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। আর টি-টোয়েন্টিতে ১০ হাজার টাকার ম্যাচ ফি বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা।’ এর আগে বিসিবি প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন ও অন্যান্য ক্রিকেটাররা দাবি তুলেছিলেন, তাদের আয় যেন বিপিএল বা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ কেন্দ্রিক না হয়। পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের মাধ্যমে যেন আর্থিক স্বচ্ছলতা আসে, সেই কথা বলেছিলেন। সেই দাবি মেনে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এসেছে বিসিবির পক্ষ থেকে। ম্যাচ ফি বাড়িয়ে বিসিবি প্রধান স্পষ্ট করেন, ঢাকা লিগে ক্রিকেটারদের কম পারিশ্রমিক পাওয়া ও বিপিএল না হওয়ার প্রভাব পড়বে না ক্রিকেটারদের আয়ে। তামিম বলেন, ‘সব ক্ষেত্রেই ম্যাচ ফি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে, কোথাও কোথাও যা ১০০ শতাংশেরও বেশি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এতে লাভটা কী? লাভটা হলো-একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার যদি পুরো মৌসুম খেলেন, তাহলে তার বেতনসহ হিসাব করলে বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করার সুযোগ তৈরি হবে, আমার হিসাব ভুল না হলে। সেটিকে ১২ মাসে ভাগ করলে একজন ক্রিকেটারের মাসিক আয় দাঁড়াবে ৩ লাখ টাকার বেশি।’ এসকেডি/এমএমআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>