জাতীয়

ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার এক নয়, জেনে নিন কোনটি ব্যবহার করবেন

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা বাইরে থেকে ফিরে মুখ পরিষ্কার করতে আমরা কমবেশি সবাই ফেসওয়াশ ব্যবহার করি। আবার অনেকের স্কিনকেয়ার রুটিনে রয়েছে ফেস ক্লিনজারও। কিন্তু ফেসওয়াশ আর ক্লিনজার কি একই জিনিস? শুধু মুখ পরিষ্কার করার কাজই যদি দুটির হয়, তাহলে আলাদা আলাদা পণ্য কেন? আসলে ফেসওয়াশ ও ফেস ক্লিনজার-দুটিই ত্বক পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হলেও তাদের ফর্মুলা ও কাজের ধরনে পার্থক্য রয়েছে। ত্বকের ধরন না বুঝে ভুল পণ্য ব্যবহার করলে মুখ ধোয়ার পর অতিরিক্ত শুষ্কতা, টানটান ভাব কিংবা অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাই নিজের ত্বকের প্রয়োজন বুঝে পণ্য বেছে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুষ্ক ত্বকে ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন ফেসওয়াশ কাদের জন্য? ফেসওয়াশ সাধারণত পানি বা জেলভিত্তিক ফর্মুলায় তৈরি হয়। অনেক ফেসওয়াশে ফোম তৈরি হয় এবং এগুলো ত্বকের অতিরিক্ত তেল, ঘাম ও জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে কার্যকর। বিশেষ করে তৈলাক্ত, মিশ্র ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য ত্বকের উপযোগী ফেসওয়াশ ভালো কাজ করে । যাদের মুখ ধোয়ার কিছুক্ষণ পরেই ত্বক আঠালো বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যায়, তারা মৃদু ক্লিনজিং ফেসওয়াশ বেছে নিতে পারেন। তবে খুব শক্তিশালী ‘ডিপ ক্লিনজিং’ পণ্য অতিরিক্ত ব্যবহার করলে উল্টো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্কতা বা জ্বালাপোড়া তৈরি হতে পারে। তাই ত্বকের অবস্থা বুঝে মৃদু ফর্মুলা বেছে নেওয়া জরুরি। ক্লিনজার কেন আলাদা? ফেস ক্লিনজার সাধারণত ক্রিম, মিল্ক, অয়েল বা বাম ধরনের ফর্মুলায় পাওয়া যায়। এগুলো ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুষ্ক, সংবেদনশীল কিংবা বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করেছে এমন ত্বকের ক্ষেত্রে মৃদু ক্লিনজার অনেকের জন্য আরামদায়ক হতে পারে। বিশেষ করে মুখ ধোয়ার পর যদি ত্বক টানটান বা শুষ্ক লাগে, তাহলে বেশি শক্তিশালী ফেসওয়াশের বদলে ক্লিনজার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। দুইটা কি একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়? হ্যাঁ, প্রয়োজন অনুযায়ী ফেস ক্লিনজার ও ফেসওয়াশ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘ডাবল ক্লিনজিং’। সাধারণত প্রথম ধাপে শুষ্ক ত্বকে অয়েল ক্লিনজার ব্যবহার করা হয়। এটি মেকআপ, সানস্ক্রিন ও তেলজাতীয় ময়লা আলগা করতে সাহায্য করে। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা যায়। তবে প্রতিদিন সবার ডাবল ক্লিনজিং প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে ত্বক যদি শুষ্ক বা সংবেদনশীল হয়, অপ্রয়োজনে বারবার পরিষ্কার করলে ত্বকে শুষ্কতা ও সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে। ভারী মেকআপ বা দীর্ঘক্ষণ পরা সানস্ক্রিন পরিষ্কার করার প্রয়োজন হলে এই পদ্ধতি বেশি উপকারী হতে পারে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী কোনটি বেছে নেবেন- তৈলাক্ত ত্বক অতিরিক্ত তেল পরিষ্কারের জন্য মৃদু জেল বা ফোমিং ফেস ওয়াশ বেছে নিতে পারেন। গ্রিন টি বা ভিটামিন সি-যুক্ত ফর্মুলা পছন্দ করতে পারেন, তবে উপাদানের চেয়ে পণ্যটি আপনার ত্বকে কেমন প্রতিক্রিয়া করছে সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বক ক্রিম বা মিল্কভিত্তিক মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালকোহল বা অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত পণ্য এড়িয়ে চলা ভালো, বিশেষ করে ত্বকে সহজে জ্বালাপোড়া হলে। আরও পড়ুন পায়ের কালচে দাগ তোলার সহজ উপায় মিশ্র ত্বক প্রয়োজন অনুযায়ী দু ধরনের পণ্যই ব্যবহার করা যেতে পারে। দিনের বেলা ফেসওয়াশ এবং রাতে ফেস ক্লিনজার ব্যবহার করুন। আরও পড়ুন পার্লারে না গিয়ে বাড়িতে বসে গোল্ড ফেসিয়াল করবেন যেভাবে মুখ পরিষ্কার করলেই স্কিনকেয়ার শেষ নয়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী মৃদু ক্লিনজার বেছে নিয়ে অতিরিক্ত পরিষ্কার না করাই স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ভালো অভ্যাস। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, ভোগ এসএকেওয়াই
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>