জাতীয়

বাংলাদেশে ফাউন্ডেশন কীভাবে গঠন ও নিবন্ধন করবেন, জানুন আইন ও প্রক্রিয়া

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
অ্যাডভোকেট হাসানুর রহমান বাংলাদেশে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যক্তি ও বেসরকারি উদ্যোগের অংশগ্রহণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গবেষণা, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ সংরক্ষণ, নারী ও শিশু উন্নয়ন, মানবাধিকার, সংস্কৃতি, ক্রীড়া কিংবা মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিবছর অসংখ্য ব্যক্তি ও সংগঠন একটি ‘ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণার অভাবে অনেক উদ্যোক্তা অপ্রয়োজনীয় জটিলতার সম্মুখীন হন। কেউ ভুল আইনি কাঠামো নির্বাচন করেন, কেউ অসম্পূর্ণ দলিলপত্র দাখিল করেন, আবার কেউ নিবন্ধনের পর আইনগত দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত না থাকায় পরবর্তীকালে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা জরুরি বাংলাদেশে ‘ফাউন্ডেশন’ নামে পৃথক কোনো নিবন্ধন আইন নেই। ‘ফাউন্ডেশন’ মূলত একটি নাম বা পরিচিতি। কোনো প্রতিষ্ঠানের আইনগত পরিচয় নির্ধারিত হয় সেটি কোন আইনের অধীনে নিবন্ধিত হয়েছে তার ওপর। তাই কেবল নামের শেষে ‘ফাউন্ডেশন’ শব্দটি ব্যবহার করলেই কোনো প্রতিষ্ঠান আইনগতভাবে ফাউন্ডেশন হিসেবে স্বীকৃতি পায় না। জনকল্যাণমূলক ও অলাভজনক সংগঠনের জন্য প্রচলিত গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামোর একটি হলো সোসাইটিস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০। এই আইনের আওতায় শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্প, সমাজকল্যাণ, গবেষণা এবং অন্যান্য জনহিতকর উদ্দেশ্যে সংগঠন গঠন ও নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে। অনেক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের নামে ‘ফাউন্ডেশন’ শব্দটি থাকলেও তাদের আইনি অবস্থান নির্ধারিত হয় এই আইন এবং নিবন্ধনের ভিত্তিতে। আরও পড়ুন প্রথমবার সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে ৫ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন কেন নিবন্ধন অপরিহার্য অনেকেই মনে করেন, কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে একটি কমিটি গঠন করলেই একটি ফাউন্ডেশন পরিচালনা করা সম্ভব। বাস্তবে বিষয়টি এত সহজ নয়। নিবন্ধনের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান স্বতন্ত্র আইনগত পরিচয় লাভ করে। এর ফলে প্রতিষ্ঠান নিজ নামে ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, সম্পদ অর্জন, চুক্তি সম্পাদন, দাতা সংস্থার সহায়তা গ্রহণ এবং আইনগতভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি পায় এবং আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি হয়। বর্তমান সময়ে অনেক সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা কোনো অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ করতে অনাগ্রহী। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিবন্ধন কার্যত অপরিহার্য। কারা একটি ফাউন্ডেশন গঠন করতে পারেন সাধারণভাবে কমপক্ষে সাতজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নিয়ে একটি সোসাইটি গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের প্রত্যেককে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের সঙ্গে একমত থাকতে হবে এবং গঠনতন্ত্র ও নিবন্ধনসংক্রান্ত দলিলপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নির্বাচন করার সময় তাদের সততা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, দায়িত্বশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। কারণ একটি প্রতিষ্ঠানের সফলতা অনেকাংশে তার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের আন্তরিকতা ও দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল। প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য নির্ধারণ যে কোনো ফাউন্ডেশনের প্রাণ হলো তার উদ্দেশ্য। নিবন্ধনের আগে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও কার্যপরিধি সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। উদ্দেশ্য অবশ্যই জনকল্যাণমূলক এবং অলাভজনক হতে হবে। যেমন: শিক্ষা ও গবেষণা, স্বাস্থ্যসেবা, সমাজকল্যাণ ও দারিদ্র্য বিমোচন, নারী, শিশু ও প্রবীণদের উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানচর্চা, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশ, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি জন কল্যানমূলক কাজ। মনে রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠানের কোনো আয় বা সম্পদ সদস্যদের ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মৌলিক বৈশিষ্ট্যই হলো জনস্বার্থে তার সম্পদের ব্যবহার। আরও পড়ুন আয়কর রিটার্নে যেসব ভুল করলে বিপদে পড়তে পারেন প্রতিষ্ঠানের নাম নির্বাচন জরুরি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নাম নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি নাম নির্বাচন করতে হবে যা অন্য কোনো নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং রাষ্ট্র, আইন, জনস্বার্থ বা নৈতিকতার পরিপন্থী না হয়। অনেক সময় শুধু নামের মিল থাকার কারণে আবেদন সংশোধন করতে হয় বা বিলম্বিত হয়। তাই আবেদন করার আগে নামের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা বাঞ্ছনীয়। গঠনতন্ত্র: প্রতিষ্ঠানের সাংবিধানিক ভিত্তি একটি প্রতিষ্ঠানের সফলতা অনেকাংশে তার গঠনতন্ত্রের ওপর নির্ভর করে। একটি দুর্বল বা অস্পষ্ট গঠনতন্ত্র ভবিষ্যতে প্রশাসনিক বিরোধ, নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই নিবন্ধনের পূর্বে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংঘ স্মারকলিপি (এমওএ) এবং রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন প্রস্তুত করা উচিত। এমওএ-তে প্রতিষ্ঠানের নাম, নিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানা, উদ্দেশ্য এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের পরিচয় উল্লেখ থাকে। অন্যদিকে রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনে সদস্যপদ, নির্বাহী কমিটির গঠন, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, সভা আহ্বানের নিয়ম, ভোটাভুটি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, নিরীক্ষা, গঠনতন্ত্র সংশোধন এবং প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তির বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকে। বাস্তবে দেখা যায়, অনেক আবেদনকারী অন্য প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র হুবহু অনুলিপি করে জমা দেন। এটি একটি গুরুতর ভুল। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাঠামো ভিন্ন হওয়ায় গঠনতন্ত্রও সেই অনুযায়ী প্রণয়ন করা উচিত। প্রয়োজনীয় দলিলপত্র নিবন্ধনের জন্য সাধারণত নিম্নোক্ত দলিলপত্র প্রস্তুত রাখতে হয়। নির্ধারিত আবেদনপত্র, সংঘ স্মারকলিপি (এমওএ), রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর, নিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানার প্রমাণপত্র, সরকারি ফি পরিশোধের প্রমাণ। প্রয়োজন অনুসারে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত তথ্য বা দলিলপত্রও চাইতে পারেন। আবেদন প্রক্রিয়া প্রয়োজনীয় দলিলপত্র প্রস্তুতের পর নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করতে হয়। আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দলিলপত্র, প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য এবং গঠনতন্ত্র পরীক্ষা করে। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা অসঙ্গতিপূর্ণ হলে আবেদনকারীকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়। সকল শর্ত যথাযথভাবে পূরণ হলে নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটি আইনগত স্বীকৃতি লাভ করে। তবে আবেদন জমা দেওয়ার মধ্যেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। নিবন্ধনের সময় প্রদত্ত তথ্য, সদস্যদের পরিচয়, প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ও গঠনতন্ত্রের তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতার কারণ হতে পারে। যেসব ভুলে আবেদন বিলম্বিত হয় আইনজীবী হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, কিছু সাধারণ ভুলের কারণে নিবন্ধন প্রক্রিয়া অযথা দীর্ঘায়িত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আরও পড়ুন টার্নওভার করে রাজস্ব সুরক্ষা করতে গিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দিশাহারা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা পরস্পরবিরোধীভাবে উল্লেখ করা গঠনতন্ত্রে আইনি অসামঞ্জস্য বা পরস্পরবিরোধী বিধান রাখা প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের তথ্য, স্বাক্ষর বা পরিচয়পত্রে অসঙ্গতি থাকা অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ দলিলপত্র দাখিল করা অন্য প্রতিষ্ঠানের সংঘ স্মারকলিপি (এমওএ) এবং রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন হুবহু অনুলিপি করা নিবন্ধনের আগে আইনি পরামর্শ গ্রহণ না করা। এসব ত্রুটি এড়াতে আবেদন দাখিলের আগে প্রতিটি দলিল একাধিকবার যাচাই করা এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। নিবন্ধনের পর করণীয় অনেকেই মনে করেন, নিবন্ধন সনদ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের সব কাজ শেষ। বাস্তবে নিবন্ধনের পর থেকেই একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়িত্ব শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে, প্রয়োজন অনুযায়ী টিন গ্রহণ করতে হবে, নিয়মিত আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাহী কমিটির সভা আয়োজন করতে হবে। সভার কার্যবিবরণী, হিসাবপত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করাও অত্যন্ত জরুরি। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিরীক্ষা (অডিট) সম্পন্ন করা এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুসারে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা প্রতিটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। বিদেশি অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে বিদেশি দাতা সংস্থা থেকে অনুদান গ্রহণের পরিকল্পনা করে। সেক্ষেত্রে শুধু নিবন্ধন সনদ থাকাই যথেষ্ট নয়। বিদেশি অনুদান গ্রহণের জন্য প্রযোজ্য আইন এবং এনজিও অ্যাফেয়ারস ব্যুরোর বিধি-বিধানও অনুসরণ করতে হয়। তাই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকলে শুরু থেকেই এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত। আইনজীবীর পরামর্শ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভুল হলো নিবন্ধনকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা মনে করা। বাস্তবে একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নির্ভর করে তার আইনি ভিত্তি, সুশাসন, স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিতার ওপর। তাই প্রতিষ্ঠার আগে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আইনি কাঠামো নির্বাচন, মানসম্মত গঠনতন্ত্র প্রণয়ন এবং সঠিকভাবে দলিলপত্র প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নিবন্ধনের পরও আইনগত বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কারণ একটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কেবল প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের নয়, বরং উপকারভোগী, দাতা সংস্থা এবং সর্বোপরি সমাজের প্রতিও জবাবদিহি। একটি ফাউন্ডেশনের প্রকৃত শক্তি তার নামের মধ্যে নয়, বরং তার আইনসম্মত ভিত্তি, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জনকল্যাণে নিবেদিত কার্যক্রমের মধ্যেই নিহিত। তাই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার আগে প্রযোজ্য আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন, যথাযথ দলিলপত্র প্রস্তুত, সঠিক আইনি কাঠামো নির্বাচন এবং নিবন্ধন-পরবর্তী আইনগত বাধ্যবাধকতা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা অপরিহার্য। মনে রাখতে হবে, একটি নিবন্ধন সনদ কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের আইনগত স্বীকৃতি দেয়, কিন্তু সুশাসন, আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাই সেই প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘমেয়াদে জনবিশ্বাসের প্রতীকে পরিণত করে। একটি আইনসম্মত ও সুশাসিত ফাউন্ডেশন শুধু সমাজসেবার বাহন নয়, বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ বিনির্মাণের শক্তিশালী হাতিয়ার। লেখক: অ্যাডভোকেট ও করপোরেট আইন গবেষক, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা। কেএসকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>