জাতীয়

বার্সেলোনা: ভূমধ্যসাগর তীরে কলম্বাসের স্মৃতিস্তম্ভ দর্শন

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

বার্সেলোনা নামটি উচ্চারণ করলেই আমার মনে ভেসে ওঠে নীল ভূমধ্যসাগর, রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ, শিল্পের অমর সৌন্দর্য, ইতিহাসের দীর্ঘ ছায়া এবং মানুষের অফুরন্ত পদচারণ। স্পেনের এই শহরে এসে কখনো মনে হয়েছে, আমি আধুনিক ইউরোপের এক প্রাণচঞ্চল নগরীতে দাঁড়িয়ে আছি; আবার কখনো মনে হয়েছে, কয়েক শতাব্দী পেছনে ফিরে গেছি—যেখানে রাজা-রানি, নাবিক, বণিক, শিল্পী ও অভিযাত্রীরা নিজেদের স্বপ্ন নিয়ে ইতিহাস রচনা করে গেছেন।

আমার মেয়ে আনিকা ও অনিত আগেই আমাদের স্পেন ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিল। সেই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল স্পেনের বার্সেলোনা ভ্রমণ। ঐতিহাসিক শহরটি দেখার ইচ্ছা আমার দীর্ঘদিনের। শিল্পী পাবলো পিকাসোর স্মৃতি, স্থপতি আন্তোনি গাউদির বিস্ময়কর সৃষ্টি, ভূমধ্যসাগরের নীল জলরাশি এবং সর্বোপরি সেই দুঃসাহসী নাবিকের ইতিহাস, যাঁর সমুদ্রযাত্রা পৃথিবীর ইতিহাসের গতিপথে গভীর পরিবর্তন এনেছিল। তিনি ক্রিস্টোফার কলম্বাস।

সমুদ্রের নীল থেকে কলম্বাসের স্মৃতিস্তম্ভে—

১৬ নভেম্বর ২০২৫, রোববার। বার্সেলোনায় আমাদের সেদিনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ভূমধ্যসাগরের সমুদ্রসৈকত থেকে। সমুদ্রের কাছে পৌঁছে প্রথম দর্শনেই মনটা যেন অন্য রকম হয়ে গেল। নীল জলরাশির বিস্তীর্ণ প্রান্তর, তীরে এসে ভেঙে পড়া ঢেউয়ের মৃদু শব্দ, মাথার ওপর নীল আকাশ আর দিগন্তজুড়ে সমুদ্রের অসীম বিস্তার—সব মিলিয়ে এক অপূর্ব সৌন্দর্য।

কিছুক্ষণ সৈকতের ধারে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য উপভোগ করলাম। সমুদ্রের লোনা বাতাস শরীর ও মনে এনে দিল এক প্রশান্ত অনুভূতি। দূরে নীল জলরাশি আর সামনে প্রাণচঞ্চল নগরী—প্রকৃতি ও মানুষের সৃষ্টির এমন অপূর্ব মিলন আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করল।

সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করে আমরা শিশু রূপকথাকে স্ট্রলারে নিয়ে সমুদ্রের পাশ দিয়ে ধীরে ধীরে হাঁটতে শুরু করলাম। চারপাশে পর্যটকদের ব্যস্ততা, হাসি-আনন্দ, মুক্ত আকাশের নিচে মানুষের অবাধ চলাচল—সব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।

কিছু দূর এগোতেই চোখে পড়ল আকাশের দিকে উঠে যাওয়া এক সুউচ্চ স্তম্ভ। কাছে গিয়ে বুঝলাম, এটি কলম্বাস স্মৃতিস্তম্ভ ‘Monument a Colom’, মুহূর্তেই আমাদের হাঁটার আনন্দ ইতিহাসের অনুসন্ধানে রূপ নিল। সমুদ্রের নীল জলরাশি পেছনে রেখে আমরা দাঁড়ালাম এমন একজন মানুষের স্মৃতির সামনে, যাঁর সমুদ্রযাত্রা একসময় পৃথিবীর পরিচিত ভূগোল সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছিল।

১৮৮৮ সালের বার্সেলোনা বিশ্বপ্রদর্শনী উপলক্ষে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস। তাঁর ডান হাত প্রসারিত, আঙুল যেন দূর দিগন্তের দিকে নির্দেশ করছে। নিচে ব্যস্ত বার্সেলোনা, সামনে ভূমধ্যসাগর—দৃশ্যটি আমার মনে গভীর ছাপ ফেলল। মনে হলো, পাঁচ শতাধিক বছর পরও কলম্বাস যেন সেই অজানা দিগন্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন, যে দিগন্তের সন্ধানে একদিন তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন উত্তাল আটলান্টিক মহাসাগর।

কলম্বাসের ঐতিহাসিক সমুদ্রযাত্রা—

১৪৯২ সাল ছিল স্পেনের ইতিহাসের এক যুগসন্ধিক্ষণ। এই বছরেই গ্রানাডার পতনের মধ্য দিয়ে স্পেনে প্রায় আট শতাব্দীর মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে। সেই বছরেই স্পেনের রাজদম্পতি ফার্দিনান্দ ও ইসাবেলার পৃষ্ঠপোষকতায় কলম্বাস অজানা সমুদ্রপথে যাত্রা শুরু করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল পশ্চিম দিক দিয়ে সমুদ্রপথে এশিয়ায় পৌঁছানো।

১৪৯২ সালের ৩ আগস্ট তিনটি জাহাজ—সান্তা মারিয়া, পিন্টা ও নিনিয়া নিয়ে কলম্বাস স্পেনের পালোস বন্দর থেকে যাত্রা করেন। দীর্ঘ ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রার পর অবশেষে আসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১২ অক্টোবর দূরে দেখা যায় ভূমি।

সমুদ্রের বুকে দিনের পর দিন ভেসে থাকা নাবিকদের চোখে সেই দৃশ্য কেমন বিস্ময় সৃষ্টি করেছিল, তা কল্পনা করতেই মন শিহরিত হয়। হয়তো কেউ আনন্দে চিৎকার করে উঠেছিল, কেউ প্রার্থনা করেছিল সৃষ্টিকর্তার কাছে, আবার কেউ হয়তো নীরবে তাকিয়ে ছিল অজানা ভূমির দিকে।

কলম্বাস ভেবেছিলেন, তাঁর স্বপ্ন সফল হয়েছে। তিনি মনে করেছিলেন, এশিয়ার কাছাকাছি কোনো দ্বীপে পৌঁছেছেন। কিন্তু তিনি জানতেন না, ইতিহাস তাঁর জন্য আরও বড় এক বিস্ময় লুকিয়ে রেখেছে। তিনি পৌঁছেছিলেন ক্যারিবীয় অঞ্চলের দ্বীপপুঞ্জে। তবে সেই ভূমি কোনো শূন্য, অনাবিষ্কৃত পৃথিবী ছিল না। সেখানে বহু হাজার বছর ধরে মানুষের বসবাস ছিল; ছিল তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনযাপন।

কলম্বাসের সেই অভিযাত্রার পর পৃথিবীর ইতিহাস দ্রুত বদলে যেতে শুরু করে। ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে মানুষের চলাচল, পণ্য, উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিস্তৃত আদান-প্রদান শুরু হয়। স্পেন ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যে পরিণত হয়।

কলম্বাসের সমুদ্রযাত্রার গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। তাঁর অভিযানের পর ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে নতুন যোগাযোগ গড়ে ওঠে। এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে খাদ্যশস্য, প্রাণী, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির নানা উপাদান। আমেরিকা থেকে ইউরোপে পৌঁছায় আলু, টমেটো, ভুট্টা, কোকোসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য। আবার ইউরোপ থেকে আমেরিকায় পৌঁছায় ঘোড়া, গবাদিপশু ও নানা নতুন প্রযুক্তি। পৃথিবী যেন ধীরে ধীরে একে অপরের কাছাকাছি আসতে শুরু করে।

কিন্তু ইতিহাসের এই আলোর পাশাপাশি ছিল গভীর অন্ধকার।

কলম্বাসের অভিযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমেরিকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন, দাসত্ব, সম্পদ দখল এবং ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের দীর্ঘ ও বেদনাময় ইতিহাস। একটি অভিযাত্রা ইউরোপীয়দের কাছে নতুন ভূখণ্ড ও সম্পদের সম্ভাবনা তৈরি করলেও, সেই ভূমির আদিবাসী মানুষের জন্য তা অনেক ক্ষেত্রে হয়ে উঠেছিল বিপর্যয়ের সূচনা।

তাই আজকের দিনে কলম্বাসকে স্মরণ করা মানে শুধু একজন সাহসী নাবিক ও অভিযাত্রীকে স্মরণ করা নয়; তাঁর অভিযানের ফলে যে গভীর পরিবর্তন ও মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, তাকেও মনে রাখা। ইতিহাসের মূল্যায়নে যেমন অভিযানের সাহস ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের কথা আসে, তেমনি আসে উপনিবেশবাদ ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর সংঘটিত অন্যায়ের কথাও।

কলম্বাস মোট চারটি সমুদ্রযাত্রা করেছিলেন। অজানা ভূখণ্ডের সন্ধান, নতুন বাণিজ্যপথ এবং স্পেনের জন্য সম্পদ ও উপনিবেশের সম্ভাবনা তাঁকে বারবার সমুদ্রের দিকে টেনে নিয়েছিল। কিন্তু জীবনের শেষ দিকে তাঁর ভাগ্যে আর আগের সেই গৌরব ছিল না। নানান অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধ এবং রাজদরবারের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে তাঁর শেষজীবন অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়।

১৫০৬ সালের ২০ মে স্পেনের ভায়াদোলিদে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর মৃত্যু তাঁর নামকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে পারেনি। সময়ের সঙ্গে কলম্বাস হয়ে উঠেছেন এক বিতর্কিত অথচ অনিবার্য ঐতিহাসিক চরিত্র। তাঁর নামের সঙ্গে একই সঙ্গে জড়িয়ে আছে অভিযানের সাহস, অজানাকে জানার আকাঙ্ক্ষা, ভৌগোলিক পরিবর্তন, সাম্রাজ্য বিস্তার এবং উপনিবেশবাদের অন্ধকার অধ্যায়।

কলম্বাসের মৃত্যুর পরও তাঁর দেহাবশেষের ইতিহাস, নানান জায়গায় স্থানান্তর ও বিতর্কে আবৃত। স্পেন থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চল, আবার ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে স্পেনে—তাঁর মৃত্যুর পরের ঘটনাপ্রবাহও যেন তাঁর জীবনের সমুদ্রযাত্রার আরেক অধ্যায়।

স্পেনের বার্সেলোনার সেভিল শহরের বিখ্যাত ক্যাথেড্রালে তাঁর নামে নির্মিত সমাধিসৌধ ইতিহাসপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ। বিশাল সেই সমাধিসৌধের দিকে তাকালে মনে হয়, যে মানুষটি সারা জীবন নতুন পৃথিবীর সন্ধানে ছুটেছেন, মৃত্যুর পরও তাঁর স্মৃতি পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে।

তবে কলম্বাসের স্মৃতি শুধু সমাধিসৌধ বা স্মৃতিস্তম্ভে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাঁর নামে রয়েছে শহর, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নানা স্থাপনা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের নাম কলম্বাস, কলম্বিয়া (Columbus. Columbia) নামটিও আমেরিকার ইতিহাস ও পরিচয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত।

বার্সেলোনার আকাশের নিচে—

কলম্বাসের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে আমি দীর্ঘক্ষণ তাঁর মূর্তিটির দিকে তাকিয়ে রইলাম। তিনি হাত বাড়িয়ে কোন দিকে নির্দেশ করছেন? নতুন কোনো পৃথিবীর দিকে? অজানা কোনো সমুদ্রপথের দিকে? নাকি তাঁর জীবনের সেই প্রথম অভিযাত্রার স্মৃতির দিকে, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল বিশ্ব ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়?

বার্সেলোনার উজ্জ্বল আলোয় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আমার কল্পনায় ভেসে উঠল প্রায় ৫৫০ বছর আগের এক ভিন্ন পৃথিবী। তখন না ছিল আধুনিক নৌ-প্রযুক্তি, না ছিল জিপিএস, না ছিল স্যাটেলাইট মানচিত্র। সমুদ্রের পথ চিনতে হতো সূর্য, তারা, বাতাস এবং নাবিকের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে।

ভাবছিলাম, সেই ছোট জাহাজে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত সমুদ্রের বুকে ভেসে থাকার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? কখনো শান্ত জলরাশি, আবার কখনো ঝড়ের প্রচণ্ডতায় কেঁপে উঠত ছোট্ট জাহাজগুলো। দিনের পর দিন ভূমির দেখা না পেয়ে নাবিকদের মনে নিশ্চয়ই ভয় ও অনিশ্চয়তার জন্ম নিত। তাঁরা কি ভুল পথে এগিয়ে যাচ্ছেন? এই সমুদ্রের কি কোনো শেষ আছে? তাঁরা কি আর কখনো নিজেদের দেশে ফিরতে পারবেন?

সম্ভবত কলম্বাসের মনেও ভয় ছিল। কারণ, ভয়হীন মানুষ হয়তো কেউ নয়। কিন্তু সাহসী সেই মানুষ, যে ভয়কে সঙ্গে নিয়েও সামনে এগিয়ে যেতে পারে। কলম্বাস এগিয়ে গিয়েছিলেন।

ইতিহাসের মহাসাগরে—

সেদিন কলম্বাসের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে আমার মনে হচ্ছিল—একটি মূর্তি কখনো শুধু একটি মানুষের প্রতিকৃতি নয়; কখনো কখনো তার মধ্যে জমা থাকে কয়েক শতাব্দীর ইতিহাস। কলম্বাসের প্রসারিত হাত যেন শুধু দূর সমুদ্রের দিকে নির্দেশ করছে না, আমাদেরও ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতে আহ্বান জানাচ্ছে।

সমুদ্রসৈকতে যে নীল জলরাশির সৌন্দর্য দিয়ে আমাদের দিন শুরু হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সেই সমুদ্রই যেন আমাকে নিয়ে গেল পাঁচ শতাব্দী আগের এক অভিযাত্রীর কাছে। ভূমধ্যসাগরের লোনা বাতাসে দাঁড়িয়ে দূরের দিগন্তের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, সমুদ্র শুধু মানুষকে এক তীর থেকে অন্য তীরে নিয়ে যায় না, কখনো কখনো সে মানুষকে নিয়ে যায় ইতিহাসের এক যুগ থেকে আরেক যুগে।

আজকের দিনে আমরা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাই। বিমানের জানালা দিয়ে নিচে মেঘ দেখে বিস্মিত হই, মোবাইল ফোনে মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের খবর জানতে পারি। কিন্তু কলম্বাসের যুগ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অজানার পথে যাত্রা ছিল বিপৎসংকুল আর প্রত্যাবর্তনের নিশ্চয়তা ছিল না।

বার্সেলোনার পথ ধরে ফিরে আসার সময় আমার মনে হচ্ছিল, পাঁচ শতাব্দীর বেশি সময় আগে যাত্রা শুরু করা সেই তিনটি ছোট জাহাজ—সান্তা মারিয়া, পিন্টা ও নিনিয়া—যেন এখনো ইতিহাসের মহাসাগরে ভেসে চলেছে।

তাদের পাল আজ আর বাতাসে উড়ছে না, কাঠের শরীর বহু আগেই ইতিহাসের অতলে হারিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের যাত্রা শেষ হয়নি। সেই যাত্রার প্রতিধ্বনি আজও পৃথিবীর ইতিহাসে রয়ে গেছে। আজও আমরা কলম্বাসের কথা বলি, তাঁর অভিযান নিয়ে লিখি, তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করি এবং ইতিহাসের আলো-অন্ধকারকে নতুন করে বুঝতে চেষ্টা করি।

কলম্বাস ১৫০৬ সালে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর যাত্রা এখনো শেষ হয়নি। সেটি আজও চলেছে ইতিহাসের পাতায়, ভূগোলের মানচিত্রে, মানুষের স্মৃতিতে, আলোচনায় এবং বিতর্কে।

*শাহ জালাল ফিরোজ, বনানী, ঢাকা; Email: sjukhan@gmail.com

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>