ব্রেকিং নিউজ
সম্পত্তি হস্তান্তর বিল কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক: জামায়াত আমির মিয়ামিতে রানওয়ে থেকে সড়কে ছিটকে পড়ল অ্যামাজনের কার্গো উড়োজাহাজ, নিহত ৫ বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা ই-ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন ব্যাংক গ্রাহকরা আরও ১০ সংসদীয় কমিটি গঠন মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ‘বড়’ পরিকল্পনা ট্রাম্পের যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত বিরামপুরে বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা পণ্ড Raina On Kohli: অকালে অবসর নিতে হয়েছিল কোহলির জন্য! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করলেন রায়না BWF World Championship 2026: ইতিহাস গড়ে এবার সাত্ত্বিক-চিরাগের লক্ষ্য এশিয়ান গেমস কাফরুলে শিশু অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার নারী কারাগারে
জাতীয়

বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা ই-ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন ব্যাংক গ্রাহকরা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করতে গ্রাহকদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুবিধায় প্রচলিত সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে তাৎক্ষণিক বিভিন্ন বিল ও সেবার মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন গ্রাহকরা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে ই-পেমেন্ট ক্রেডিট চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ই-পেমেন্ট ক্রেডিটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন সেবা ও বিল পরিশোধের সুযোগ থাকবে। এর আওতায় বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা বাবদ ফি, টোল ও টিকিটের মূল্য, কর ও বিভিন্ন সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি এবং বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য খরচও এ সুবিধার আওতায় আনা যাবে। ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী ফি নির্ধারণ বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী, ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদ বিবেচনায় গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ নির্দিষ্ট ফি নেওয়া যাবে। ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সাত দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সাত দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও পড়ুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ৪ হাজার কোটি টাকা ফেরত চেয়ে ৩৭ হাজার আবেদন ঋণের মূল অর্থ ও নির্ধারিত ফি যথাক্রমে ৮, ১৬ অথবা ৩১তম দিনে পুরোপুরি পরিশোধ করতে হবে। নগদে নেওয়া যাবে না ঋণের অর্থ ই-পেমেন্ট ক্রেডিটের অর্থ গ্রাহকের হাতে নগদে দেওয়া হবে না। নির্ধারিত সেবা প্রদানকারীর কাছে অনুমোদিত ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি বিল বা সেবার মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এ ঋণের অর্থ নগদে রূপান্তর, গ্রাহকের কোনো ওয়ালেটে জমা কিংবা অন্য কোনো হিসাবে স্থানান্তরের সুযোগ থাকবে না। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই গ্রাহক চাইলে ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি ছাড়া কোনো অতিরিক্ত ফি, সুদ, প্রি-পেমেন্ট, আর্লি সেটেলমেন্ট বা ফোরক্লোজার চার্জ নেওয়া যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য দৈনিক ভিত্তিতে জরিমানা বা ফি নেওয়া যাবে। তবে সেটিও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে হবে। ঋণ দেওয়ার আগে জানাতে হবে সব শর্ত ই-পেমেন্ট ক্রেডিট অনুমোদনের আগে গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, ফি, মেয়াদ এবং পরিশোধের নিয়মসহ গুরুত্বপূর্ণ সব শর্ত স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বিকল্প ডিজিটাল ক্রেডিট স্কোরিং পদ্ধতি ব্যবহারের পাশাপাশি গ্রাহকের ঝুঁকি বিবেচনায় ঋণের সীমা নির্ধারণ করতে হবে। আরও পড়ুন শীর্ষ ১০ দেশের ৬টি থেকেই কমেছে রেমিট্যান্স গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ডিজিটাল অনবোর্ডিং সম্পন্ন করতে হবে। পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ওটিপি, টুএফএ, মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (এমএফএ) অথবা সমমানের নিরাপদ ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে। এমএফএস ও ফিনটেকের চ্যানেল ব্যবহারের সুযোগ ই-পেমেন্ট ক্রেডিট কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাংকগুলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং অন্যান্য ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সেবা চ্যানেল ব্যবহার করতে পারবে। তবে গ্রাহক ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে থাকা ডেটা ওয়্যারহাউসে সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি এসব তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বাণিজ্যিক চালুর আগে ৬ মাসের পাইলট ই-পেমেন্ট ক্রেডিট সরাসরি বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে পারবে না ব্যাংকগুলো। এর আগে অন্তত ছয় মাস পাইলট ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাইলট কার্যক্রমের ফলাফল মূল্যায়ন করে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এ সুবিধা চালু করা যাবে। বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-কে পাইলট কার্যক্রমের মূল্যায়ন এবং পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত প্রোডাক্ট প্রোগ্রাম গাইডলাইন (পিপিজি) সম্পর্কে জানাতে হবে। ইএআর/কেএসআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>