জাতীয়

ভ্রমণ এগিয়ে চলছে

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
আগের পর্ব

আমরা এতক্ষণ সমুদ্রগামী পরমাণু শক্তিচালিত জাহাজে কাল্পনিক ভ্রমণ করছিলাম। আমরা অনেক মজার বিষয় জানতে পেরেছি যেমন পরমাণুর গঠন এবং কার্যক্রম। চলো এবার আমরা পদ্মা নদী ভ্রমণে ফিরে আসি। আমাদের ডানে ও বামে অনিন্দ সুন্দর প্রকৃতি, শস্যক্ষেত, সবুজ বনরাজি। বিভিন্ন রংয়ের পালতুলে নদীর বুকে ভেসে চলেছে নৌকাগুলো, জেলেরা জাল ফেলে মাছ ধরছে। দারুণ এক পরিবেশ আমাদের ঘিরে রেখেছে। কিন্তু এ কি? সূর্যটাকে ঢেকে রেখেছে বৃহদাকারের ঘনকাল মেঘ। কিন্তু এটাতো মেঘ মনে হচ্ছে না। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুউচ্চ চিমনি থেকে নির্গত ধোঁয়া- যা প্রকৃতিকে প্রতিনিয়ত দূষণ করে চলেছে।

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শক্তি উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি ব্যবহৃত হয় যেমন- কয়লা, তেল, গ্যাস। এই জ্বালানিগুলো ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা হয়ে থাকে।

প্রকৃতিতে এ সব জ্বালানির মজুদ অনেক হলেও সীমাহীন নয় এবং ব্যাপক ব্যবহারের ফলে এগুলো কোন এক সময় শেষ হতে বাধ্য।

তবে এনার্জি বা শক্তি পাওয়ার অন্য উপায়ও রয়েছে। যেমন সূর্য, এনার্জির একটি বিশাল উৎস। সূর্য আমাদের আলো ও তাপ দিয়ে থাকে। সূর্য থেকে প্রাপ্ত এনার্জি একদিকে যেমন বিপজ্জনক নয় অন্য দিকে এর নিঃশেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনাও নেই।

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শক্তি উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি ব্যবহৃত হয় যেমন- কয়লা, তেল, গ্যাস। এই জ্বালানিগুলো ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা হয়ে থাকে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো এই এনার্জি প্রকৃতিবান্ধব অর্থাৎ এর দ্বারা প্রকৃতি বা মানুষের কোন ক্ষতি হয় না। সূর্যালোক থেকে এনার্জি পাওয়ার জন্য যে সকল যন্ত্র বা সরঞ্জাম এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে সেগুলোকে খুব একটা সস্তা বা ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক বলা যাবে না। তবে কে জানে, যখন বড় হবে তখন তুমি নিজেই হয়তো আরো ভালো কিছু আবিষ্কার করতে সক্ষম হবে!

আরো একটি শক্তির উৎস রয়েছে, আর সেটি হচ্ছে বাতাস। এই উৎসটিও প্রকৃতি দূষণ করে না। বিশাল আকারের প্রপেলার ব্যবহার করে আমরা বাতাস থেকে বিদ্যুৎ শক্তি পেতে পারি। কিন্তু পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষে এমন কোন বায়ুকল এখন পর্যন্ত আমাদের চোখে পড়েনি।

বায়ু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল অন্তরায় হলো যে, বায়ুকলগুলো নিয়মিতভাবে একই হারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম নয়। কারণটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ। বায়ু প্রবাহ এবং এর গতি বেগ আমাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। তবে কিছু অঞ্চল রয়েছে যেখানে মোটামুটি নিয়মিত বায়ু প্রবাহ পরিলক্ষিত হয়, সেখানে এ জাতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন যুক্তিযুক্ত।

কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটম

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন

এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবং

পরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা

পরমাণুর গঠন কেমনপরমাণু কণিকাগুলোর পারস্পরিক বন্ধননিউক্লিয় বল বলতে কি বুঝায়পারমাণবিক জ্বালানির দহনঅতিরিক্ত নিউট্রন কিভাবে আটকানো যায়তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে বিকিরণ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>