ব্রেকিং নিউজ
ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় পিএম অফিসের কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, সেই হরিদাস ২ দিনের রিমান্ডে নীরবতা নয়, কথোপকথনই বাঁচাতে পারে জীবন গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজে চাকরি, অবসরপ্রাপ্তদেরও আবেদনের সুযোগ হলি ক্রস কলেজের সিলেকশন টেস্টের আগে যে যে কাগজপত্র সঙ্গে নেবে পরীক্ষার্থীরা জুলাই হত্যা মামলায় সাবেক উপাচার্য কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ মায়ের মৃত্যুতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির আদেশ শামীম ওসমানদের ছোড়া গুলি পায়ে লাগে, নারায়ণগঞ্জে চিকিৎসা হয়নি: জবানবন্দিতে সাক্ষী এলিয়েন কি সত্যিই পাওয়া গেছে? ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
জাতীয়

শিশুর মেধা বিকাশে ঘুমাতে যাওয়ার আগে করণীয়

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
প্রতিটি বাবা-মা তার শিশুর ভবিষ্যৎ ও মানসিক বিকাশ নিয়ে চিন্তা করেন। পুষ্টিকর খাবার, ভালো পড়াশোনা আর খেলাধুলার পাশাপাশি শিশুর মেধা বিকাশে আরেকটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো—রাতে ঘুমের আগের সময়টুকু। সারাদিন শিশু যেসব অভিজ্ঞতা অর্জন করে, রাতের ঘুমের সময় মস্তিষ্ক সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে স্মৃতি হিসেবে জমা রাখে। ​বিজ্ঞান ও শিশু মনোবিজ্ঞান বলছে, ঘুমানোর আগের ১৫-৩০ মিনিট শিশুর মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। তাই ঘুমানোর আগের বিশেষ সময়টিকে সঠিক নিয়মে কাজে লাগাতে পারলে শিশুর বুদ্ধি, মনোযোগ ও মানসিক দক্ষতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই সন্তানের মেধা বিকাশে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অভিভাবকরা যেসব অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন— সারাদিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলুন। তাকে প্রশ্ন করুন, আজ সারাদিনে সে নতুন কী করেছে বা শিখেছে। তার সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত কোনটি ছিল। শিশুর ছোট ছোট অনুভূতির কথা মন দিয়ে শুনুন। এই অভ্যাসের ফলে শিশুর কথাবলার দক্ষতা ও আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি মা-বাবার সাথে তার একটি শক্ত মানসিক বন্ধনও গড়ে ওঠে। আরও পড়ুন শিশুর লেখাপড়ার হাতেখড়িতে মায়ের করণীয় গল্প শোনানো বা বইপড়ার অভ্যাস ঘুমানোর আগে সন্তানকে বই থেকে গল্প পড়ে শোনালে অথবা নিজের মুখে কোনো শিক্ষণীয় গল্প বললে মস্তিষ্কের কল্পনাশক্তি অনেকগুণ বেড়ে যায়। যখন শিশু কোনো গল্প শোনে; তখন তার অবচেতন মন সেই দৃশ্যগুলো কল্পনা করতে শুরু করে। যা তার সৃজনশীলতা ও ভাষার দক্ষতা বাড়ায়। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস শিশুর শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করে। পড়ার প্রতি ভালোবাসা তৈরি করতে সাহায্য করে। স্ক্রিন টাইম সম্পূর্ণ বন্ধ করা ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, টিভি বা ট্যাবের মতো ডিজিটাল পর্দার আলো থেকে শিশুকে দূরে রাখুন। ইলেকট্রনিক ডিভাইসের নীল আলো মস্তিষ্কে ঘুমানোর হরমোন ‌‘মেলাটোনিন’ উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে এবং মস্তিষ্কের বিশ্রাম বাধাগ্রস্ত হয়, যা মেধা বিকাশের বড় ক্ষতি করে। স্ক্রিন বন্ধ করে ঘরের আলো হালকা করে দিলে শিশুর মস্তিষ্ক ঘুমের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। ইতিবাচক প্রশংসা ও শুভ কামনা ঘুমানোর ঠিক আগের চিন্তা-ভাবনা শিশুর অবচেতন মনে গভীর প্রভাব ফেলে। সারাদিনে সন্তান কোনো ভুল করে থাকলেও ঘুমের আগে তাকে বকাঝকা করবেন না। বরং সারাদিনের যে কোনো ছোট ভালো কাজের জন্য তার প্রশংসা করুন। ‘তুমি আজকের কাজটি খুব সুন্দরভাবে করেছ’ বা ‘আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত’—এমন ইতিবাচক বাক্য শিশুর আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ভালোবাসা ও নিরাপত্তার অনুভূতি নিয়ে ঘুমাতে পারলে শিশুর স্নায়ুতন্ত্র শান্ত থাকে এবং ঘুমের গুণমান বাড়ে। আরও পড়ুন সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব নয়, গড়ে তুলুন বন্ধুত্বের সম্পর্ক ​শিশুর মেধার বিকাশ কিন্তু একদিনের কোনো বিষয় নয়; এটি একটি ধারাবাহিক চর্চার ফসল। প্রতিদিনের এই ছোট্ট ৪টি চর্চা কেবল আপনার সন্তানের বুদ্ধিমত্তাই বাড়াবে না বরং তাকে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। তার সাথে আপনার একটি মজবুত বন্ধন তৈরি হবে। এসইউ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>