ব্রেকিং নিউজ
গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছ থেকে বাংলাদেশিসহ ৭৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার ইনভেস্ট বাংলাদেশ চেয়ারম্যানকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পাবনায় কমিটি বাতিলের দাবিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঝাড়ু মিছিল অজিত দোভাল-ওয়াং ই বৈঠক: সীমানা নির্ধারণ এগিয়ে নিতে চায় ভারত ও চীন ফারহান ফাইয়াজকে যখন রিকশায় ওঠাই , তখন সে একটি দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়ে: জবানবন্দিতে সাক্ষী সাইদ সিআইএর সতর্কতা শোনেননি ট্রাম্প, নেতানিয়াহুর পরামর্শে যুদ্ধে জড়ান সাবেক এমপি সাইফুলসহ ১৩ জনকে আত্মসমর্পণ করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য আটক মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও অবনতি, শিশুকে দিয়ে সরানো হয় দেহাবশেষ রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাসহ ৫ দাবি শিবিরের
জাতীয়

১৮ বছর আগের যে মামলায় গ্রেফতার বিদিশা এরশাদ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে ১৮ বছর আগের একটি প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই মামলায় চলতি বছরের মে মাসে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন। তিনি জানান , ১৮ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি প্রতারণা মামলায় তিনি দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত। আদালত থেকে পরোয়ানা আসার পর আমরা তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক মামলায় চলতি বছরের ২০ মে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম ওই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জানা গেছে, বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে গুলশান থানায় ওই মামলা করেছিলেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামের এক ব্যবসায়ী। মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোশাররফ হোসেনের বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট কেনার প্রয়োজন ছিল। লোক মারফত তথ্য পেয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মাদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা ২০০১ সালের ১ জুলাই মোশাররফকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।  অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী। মামলায় আরও বলা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। টিটি/কেএইচকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>