ব্রেকিং নিউজ
সারাদেশ

অতীতে গণতন্ত্রকামী মানুষদের ওপর অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে: রাষ্ট্রপতি

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে এ দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষদের ওপর অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি লড়াই করেছি, আমরা কোন সংঘাত, কোন সংঘর্ষ চাই না। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে দুই দিনের সফরে এসে রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি বলেন, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্রের জন্য সমঝোতার রাজনীতি করতে হবে সব রাজনৈতিক দলকেই। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাজনীতিতে আসার আহ্বান করছি। জীবনের বিনিময়ে হলেও আমি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা করবো। তরুণদের উদ্দেশে মাদক ও নানা অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, খেলাধুলা ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যও জেলার মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি বলেন, এই মাটির সঙ্গে আমার জীবনের সবকিছু জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবোনা । নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মো. খয়রুল কবির বলেন, ‘মির্জা আলমগীর শুধু রাষ্ট্রপতি নন, তিনি আমাদের ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে তিনি নিজের মানুষের কাছে ফিরেছেন প্রথমবার। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আবেগের মুহূর্ত। আমরা দেখাতে চাই এ জেলার মানুষ তাঁকে কতটা ভালোবাসে। এর আগে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে সেনুয়া পারিবারিক গোরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি। বিকেলে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে দেয়া নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মো. খয়রুল কবির, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী প্রতিনিধি আরতি মার্ডি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক প্রফেসর মনোতোষ কুমার দে, ঠাকুরগাঁও ২ আসনের এমপি ডা. আব্দুস সালাম ও ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের এমপি জাহিদুর রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য, সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে ফিরে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম করবেন। পরে সার্কিট হাউসে গিয়ে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন এবং হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ছাড়ার কথা রয়েছে তাঁর।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>