ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন ষষ্ঠ থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান, যেভাবে আবেদন ইরানের কড়া বার্তা, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে পে-স্কেলের পর প্রশ্ন, বাজারের চাপ সামলাবে কীভাবে সাধারণ মানুষ মাত্র ১০ বাই ১০ ফুটের ঘর থেকে বড় বাংলো, সব হারিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন জ্যাকি ফ্ল্যাট কিনবেন নাকি অন্য কোথাও বিনিয়োগ করবেন একটি বাছুর দিয়ে শুরু, যেভাবে বদলে গেল শেরপুরের কয়েকটি পরিবার ইমাম-মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় বাদী গ্রেফতার নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ‘মেয়েকে বলেছি—তোমার প্রেমিক থাকতেই পারে, কিন্তু তাকে বিয়ে করবে না’
সারাদেশ

ইমাম-মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় বাদী গ্রেফতার

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
পটুয়াখালী মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিবসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছিলেন জাহানারা বেগম (৬৩)। তবে মামলাটি তদন্ত করে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরপর ওই মামলার বাদী জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন জাহানারা বেগম। মামলাটি ৮৬৪/২০২৫ নম্বরে নথিভুক্ত হয়। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০৩ সালের সংশোধনীসহ)-এর ৯(৪)(খ) ও ৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলায় জাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, তার ১২ বছর বয়সী নাতনি নাইমা রাবেয়া মডেল মসজিদে আরবি পড়তে যেত। ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে তাকে মক্তবের পাশের একটি স্টোররুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব তানভীর হোসেন, খাদেম সাব্বির ও আহমাদুল্লাহ মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। মামলায় আরও বলা হয়, ঘটনার পর শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং কয়েকদিন চিকিৎসাধীন ছিল। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরপর আদালতে মামলা করেন জাহানারা বেগম। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার পায় পিবিআই। পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন। তদন্তে বাদীর অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাদীর নাতি নিজ ইচ্ছায় মডেল মসজিদে গিয়েছিল এবং পরে তাকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জাহানারা বেগম বলেন, “চুরির অপবাদে আমার দুই নাতিকে আটকে রাখা হয়েছিল। এজন্য আমি মামলা করেছি।” অন্যদিকে, মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব তানভীর হোসেন বলেন, মসজিদের বিভিন্ন মালামাল চুরির ঘটনা ঘটছিল। স্থানীয় মুসল্লিদের সহযোগিতায় জাহানারা বেগমের নাতিকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। পরে তার বয়স কম হওয়ায় পুলিশ মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এর কিছুদিন পরই তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণের মামলা করা হয়। তানভীর হোসেনের দাবি, পিবিআই তদন্তের পর মামলার অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি। এই মামলার কারণে তারা দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হয়েছেন। ভবিষ্যতে যেন কেউ মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা মূলত একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। পরোয়ানাটি পর্যালোচনা করে জানতে পেরেছি, তিনি ওই মামলার বাদী এবং তার বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। বর্তমানে তিনি থানায় আছেন। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।”
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>