বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য এবং গাজীপুর মহানগর নায়েবে আমীর মোঃ খায়রুল হাসান বলেছেন, বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। দেশের নদ-নদী, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর, দিঘি, প্লাবনভূমি এবং বঙ্গোপসাগর মৎস্য সম্পদের প্রধান উৎস। দেশে প্রায় ২৬০ প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ মাছ থেকে আসে। তাই বাংলাদেশে মাছকে "গরিবের প্রোটিন" বলা হয়। পুষ্টি নিরাপত্তায় এবং আর্থিক সমৃদ্ধি আনয়নে মৎস্য খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সোমবার সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কালিগঞ্জ উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত গাজীপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী বেলাই বিল, কয়েকটি জলাশয় এবং পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচী পালনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।এই সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. তাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পার্থী অ্যাড. লুৎফর রহমান প্রধান, বক্তারপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান, বক্তারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. আব্দুল বাছেদ মোল্লা, জাংগালিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুস সালাম সেলিম, জাংগালিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো: আব্দুল আউয়াল, বক্তারপুর ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা মেছবাহ উদ্দিন আজমী, ডা: আব্দুল মোতালিব, মো: আলী আকবর, মো: জালাল উদ্দিন প্রমুখসহ এলাকার স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।তিনি আরও বলেন, মোট জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২.৫%–৩%। কৃষি জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২২%। নিচু জমি এবং জলাশয় ভরাটের ফলে দিন দিন কমছে মৎস্য খাতের পরিধি। কলকারখানার বিষাক্ত কেমিক্যাল মৎস্য উৎপাদনে প্রধান অন্তরায়। সরকারের প্রাণী এবং মৎস্য সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছে আহবান জানাচ্ছি, সম্ভাবনাময় এই খাতকে কাজে লাগাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে।
বিজ্ঞাপন