বিজ্ঞাপন
<p><strong>সন্দীপ সরকার, কলকাতা: </strong>রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতি, জমি কেলেঙ্কারি, হুমকি দেওয়া, তোলাবাজি ইত্যাদি বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন এমন কয়েকজন, যাঁরা বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সিএবির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শান্তনু সিনহা বিশ্বাস থেকে শুরু করে সুজয় হাজরা, অসিত মজুমদার - তালিকাটা ক্রমশ বাড়ছে। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন অশোক দাস। যিনি সিএবি-তে মনোহরপুকুর মিলন সমিতির প্রতিনিধি। পাশাপাশি সিএবির গ্রাউন্ডস কমিটির সদস্যও।</p>
<p>গ্রেফতার হয়েছিলেন অশোক দাস। তিনি রাসবিহারির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। অশোক দাস ছাড়াও FIR-এ দেবাশিস কুমারেরও নাম রয়েছে। রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশের হাতে সোমবার গ্রেফতার হন অশোক। পরে তিনি জামিনও পেয়েছেন। তবে বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার অন্দরমহল ফের সরগরম এক কমিটি মেম্বারের গ্রেফতারি ঘিরে।</p>
<p>ঠিক কী অভিযোগ অশোক দাসের বিরুদ্ধে?</p>
<p>গত জুন মাসে অশোক দাসের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল মামলা। তার জেরেই গ্রেফতার হন দেবাশিস কুমার ঘনিষ্ঠ ওই ক্লাব কর্তা। ২০১৯ সালে জোর করে মনোহরপুকুর মিলন সমিতি দখলের অভিযোগ ওঠে অশোকের বিরুদ্ধে। ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে সই করিয়ে নেওয়ার অভিযোগে FIR হয় রবীন্দ্র সরোবর থানায়। তার জেরেই পদক্ষেপ করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পরে তিনি জামিন পান।</p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="বয়স ভাঁড়ানোয় নির্বাসিত করেছে সিএবি, ভারতীয় দল থেকেও বাদ, পরিবর্ত ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা" href="https://bengali.abplive.com/sports/cricket/india-u19-vs-australia-u19-aryan-savsani-tanmay-baloda-added-to-india-u19-squads-replacement-rohit-yadav-bcci-1192138" target="_self">বয়স ভাঁড়ানোয় নির্বাসিত করেছে সিএবি, ভারতীয় দল থেকেও বাদ, পরিবর্ত ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা</a></strong></p>
<p>কয়েকদিন আগেই মনোহরপুকুর মিলন সমিতির ক্রিকেটার রেজিস্ট্রেশনের দিনও ইডেনে দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে ছিলেন অশোক দাস। সিএবি-তে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, অশোক দাস সাত সদস্যের গ্রাউন্ডস কমিটির অন্যতম। সম্প্রতি পিচের মাটি সরবরাহ করা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিল যে কমিটি। পাশাপাশি অশোক দাসের একটি ট্র্যাভেলিং সংস্থাও রয়েছে। লোকমাতা ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলস। সেই সংস্থার কয়েকটি গাড়ি সিএবি-তে ভাড়া খাটে বছরভর। সিএবি তার বিলও মেটায়। সিএবি-র একাংশ বলছে, এটাও তো স্বার্থের সংঘাত। যেখানে অশোক কমিটি মেম্বার হওয়া সত্ত্বেও ব্যবসায়িক চুক্তিও করেছেন সিএবির সঙ্গে।</p>
<p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএবির শাসক গোষ্ঠীর একজন বললেন, 'খাতায়-কলমে স্বার্থের সংঘাত বলা হলেও, অশোকদা আজ থেকে তো গাড়ি দিচ্ছেন না। ওঁর দুটি গাড়ি বহু বছর ধরে ভাড়া খাটে সিএবি-তে। অন্তত ১৫ বছর ধরে।'</p>
<p>গোটা বিষয় নিয়ে মতামত জানতে চেয়ে এবিপি লাইভ বাংলার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল অশোক দাসের সঙ্গেও। তিনি অবশ্য ফোন ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেরও জবাব দেননি।</p>
<p>[yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]</p>
বিজ্ঞাপন