ব্রেকিং নিউজ
নেপালে হঠাৎ ভয়াবহ বন্যা, ২৯১ জন বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের মরদেহ আসছে বৃহস্পতিবার নাটোরে সেই বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা দুষলেন গ্রামপ্রধান ও বিএনপি নেতাকে IND vs SL Live: কলম্বোয় জয়ের সুবর্ণ সুযোগ ভারতের, পঞ্চম দিনে দ্রুত ৪ উইকেট তোলার লক্ষ্যে ভারত ‘বিলিওনেরা’ নিয়ে ঢাকায় আসছেন ওটেলিয়া, নভেম্বরে কনসার্ট রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ঢাকায় মানববন্ধন প্রবাসী স্বামীকে তালাক না দিয়েই প্রেমিককে বিয়ে করলেন ৪ সন্তানের মা তৃতীয় অধিবেশনে কমিটি গঠন ও গুরুত্বপূর্ণ বিলে অগ্রাধিকার অপরাধী যে গোষ্ঠীরই হোক, ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী রাকসুর বাকি দেড় মাস, কার্যকর হয়নি সিনেট
জাতীয়

বর্ষায় ঘরে ঢুকে পড়তে পারে সাপ, রাতে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বর্ষা এলেই শুধু জলাবদ্ধতা বা ভোগান্তিই বাড়ে না, বদলে যায় অনেক বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলও। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে সাপের গর্ত ও ঝোপঝাড়ে পানি ঢুকে গেলে তারা নিরাপদ ও শুকনো আশ্রয়ের খোঁজে লোকালয়ের দিকে চলে আসতে পারে। বাড়ির উঠান, বারান্দা, গোডাউন কিংবা ঘরের অন্ধকার কোণেও লুকিয়ে থাকতে পারে সাপ ও অন্যান্য সরীসৃপ। বিশেষ করে রাতে আলো কম থাকায় অসাবধানতাবশত তাদের কাছাকাছি চলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই বর্ষায় রাতে ঘুমানোর আগে ও বাড়ির আশপাশে চলাফেরার সময় কিছু সহজ সতর্কতা মেনে চলা জরুরি। মাটিতে সরাসরি বিছানা পাতবেন না বর্ষাকালে মেঝেতে সরাসরি গদি, চাদর বা তোশক পেতে ঘুমানো এড়িয়ে চলুন। সম্ভব হলে খাট, খাটিয়া বা তক্তপোশের মতো কিছুটা উঁচু জায়গায় ঘুমান। এতে মেঝে দিয়ে কোনো সরীসৃপ ঘরে ঢুকলেও তার সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে আসার আশঙ্কা কিছুটা কমে। ঘুমানোর আগে বিছানা পরীক্ষা করুন রাতে শুতে যাওয়ার আগে বিছানা, বালিশ, চাদর ও খাটের আশপাশ একবার ভালোভাবে দেখে নিন। মেঝেতে বা ঘরের কোণে রাখা জুতাও পরীক্ষা করে তারপর পরুন। অন্ধকারে হাত না ঢুকিয়ে আলো জ্বালিয়ে দেখে নেওয়াই নিরাপদ। বাইরে রাখা জুতা হলে পরার আগে উল্টে ঝেড়ে নিন। রাতে অন্ধকার জায়গায় চলাফেরার সময় টর্চ ব্যবহার করুন দরজা-জানালায় রাখুন জালের ব্যবস্থা সাপসহ বিভিন্ন প্রাণী অনেক সময় খোলা দরজা-জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকে পড়তে পারে। তাই রাতে দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন। যেখানে সম্ভব, জানালা ও ভেন্টিলেশনে মজবুত জাল ব্যবহার করুন। দরজার নিচে বড় ফাঁক থাকলে সেটিও বন্ধ করার ব্যবস্থা করা ভালো। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন বাড়ির আশপাশে ঝোপঝাড়, আবর্জনা, শুকনো পাতা, কাঠ, ইট বা পাথরের স্তূপ জমতে দেবেন না। এসব জায়গা সাপ ও অন্যান্য প্রাণীর লুকিয়ে থাকার আশ্রয় হতে পারে। বর্ষার সময় নিয়মিত বাড়ির উঠোন ও আশপাশ পরিষ্কার রাখলে এমন প্রাণীর আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ কমে। ইঁদুর ও ব্যাঙের উপদ্রব কমান বাড়িতে ইঁদুরের উপদ্রব থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। খাবারের উচ্ছিষ্ট খোলা জায়গায় না রাখা এবং ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার রাখা জরুরি। কারণ ইঁদুরসহ বিভিন্ন ছোট প্রাণী সাপের খাবার হওয়ায় খাবারের সন্ধানে সাপও লোকালয়ের কাছাকাছি আসতে পারে। মশারি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন মশারি ব্যবহার করলে সেটি ভালোভাবে চারপাশ থেকে গুঁজে দিন এবং কোথাও ছেঁড়া বা বড় ফাঁক আছে কি না দেখে নিন। মশারি মূলত মশার হাত থেকে সুরক্ষার জন্য, তাই এটিকে সাপ প্রতিরোধের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা হিসেবে না দেখে অন্যান্য সতর্কতাও মেনে চলুন। দেয়ালের ফাটল ও গর্ত বন্ধ করুন ঘরের দেয়াল, মেঝে কিংবা দরজার আশপাশে কোনো বড় ফাঁক বা গর্ত থাকলে তা মেরামত করুন। পাইপ বা তার ঢোকার জায়গাতেও অপ্রয়োজনীয় ফাঁক থাকলে বন্ধ করার ব্যবস্থা করা ভালো। এতে সাপসহ অন্যান্য প্রাণীর ঘরে ঢোকার সম্ভাবনা কমে। রাতে বাইরে গেলে আলো সঙ্গে রাখুন বর্ষার রাতে উঠোন, বাগান বা অন্ধকার জায়গায় হাঁটার প্রয়োজন হলে টর্চ বা পর্যাপ্ত আলো ব্যবহার করুন। খালি পায়ে না হেঁটে জুতো পরুন। কোনো ঝোপ, গর্ত বা কাঠের স্তূপের কাছে হাত-পা দেওয়ার আগে অবশ্যই জায়গাটি ভালোভাবে দেখে নিন। আরও পড়ুন বিড়ালের ৭ আচরণ বলে দেবে, সে আপনাকে কতটা ভালোবাসে সাপ দেখলে দূরে থাকুন ঘরে বা বাড়ির আশপাশে সাপ দেখতে পেলে নিজে ধরে ফেলা, লাঠি দিয়ে খোঁচানো বা মেরে ফেলার চেষ্টা করবেন না। সাপকে পর্যাপ্ত দূরত্ব দিন এবং সম্ভব হলে স্থানীয় প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী বা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলের সাহায্য নিন। সাপ সাধারণত মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে চায়,তাই তাকে উত্তেজিত না করাই সবচেয়ে নিরাপদ। আরও পড়ুন মাথা ব্যথা করলেই চা-কফিতে চুমুক, এতে উপকার বেশি, নাকি ক্ষতি বর্ষায় বাড়তি সতর্কতা মানেই আতঙ্কিত হয়ে থাকা নয়। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলো ব্যবহার করা, বিছানা ও জুতা পরীক্ষা করা এবং সম্ভাব্য প্রবেশপথ বন্ধ রাখার মতো সহজ অভ্যাসই ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। আর সাপের উপস্থিতি টের পেলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া এসএকেওয়াই
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>