জাতীয়

টাকার লোভ এআইয়েরও আছে, বিজ্ঞাপন পেলে করবে সেই পণ্যের সুপারিশ!

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
এআই এজেন্টের মাধ্যমে পণ্য, সেবা বা তথ্য খোঁজার প্রবণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বার্থের সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে স্ট্যানফোর্ডের নতুন এক গবেষণা। সেমাফোর এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়-গবেষণায় বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এআই চ্যাটবটের দেওয়া সুপারিশ বিজ্ঞাপনদাতার অর্থে প্রভাবিত হচ্ছে, নাকি ব্যবহারকারীর জন্য সত্যিই সবচেয়ে ভালো তথ্য বা পণ্য বেছে নেওয়া হচ্ছে-তা বোঝা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। স্ট্যানফোর্ডের গবেষকদের মতে, এআই যখন ইন্টারনেট সার্চ ও ই-কমার্সের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে, তখন এআইয়ের সুপারিশের পেছনে আর্থিক স্বার্থ রয়েছে কি না, সে বিষয়টি স্পষ্ট করা জরুরি। আরও পড়ুন এবার আপনার ছবি বা আইডিয়া দিয়েই স্টিকার বানিয়ে দেবে চ্যাটজিপিটি ধরা যাক, একজন ব্যবহারকারী নতুন টোস্টার কিনতে এআই এজেন্টের পরামর্শ নিলেন। পাঁচটি প্রতিষ্ঠান যদি তাদের পণ্য ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরতে এআই এজেন্টকে অর্থ দেয়, তাহলে ব্যবহারকারী কীভাবে নিশ্চিত হবেন যে তাকে সবচেয়ে ভালো পণ্য বা সবচেয়ে কম দামের পণ্যটিই সুপারিশ করা হয়েছে-গবেষণায় এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছে। শুধু পণ্য কেনাকাটায় নয়, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা আর্থিক সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও এ ধরনের স্বার্থের সংঘাত বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত এআই এজেন্ট যদি এতটাই সক্ষম হয় যে ভুল বা বিভ্রান্তিকর বিপণন শনাক্ত করে ব্যবহারকারীর স্বার্থ রক্ষা করতে পারে, তাহলে ঝুঁকি কমতে পারে। তবে বাস্তবে বিপুলসংখ্যক মানুষ বিজ্ঞাপননির্ভর বিনামূল্যের এআই চ্যাটবট ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে এআইয়ের সুপারিশ কতটা নিরপেক্ষ থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। আরও পড়ুন এআইকে হাতিয়ার করছে হ্যাকাররা, যেভাবে সতর্ক হবেন এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হতে পারে। আর্থিক স্বার্থ বা বিজ্ঞাপনদাতার সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এআই চ্যাটবটকে তা ব্যবহারকারীকে জানানো বাধ্যতামূলক করার মতো আইন করা যেতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এআইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও অস্বচ্ছ হওয়ায় এ ধরনের নিয়ম কার্যকরভাবে প্রয়োগ করাও কঠিন হতে পারে। তাই এআইনির্ভর বাণিজ্য ও বিজ্ঞাপনের বড় বাজার তৈরি হওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে নীতিমালা ও স্বচ্ছতার কাঠামো তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শাহজালাল/কেএসকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>