ব্রেকিং নিউজ
জাতীয়

‘জীবিত না হলেও অন্তত হাড্ডিগুড্ডি ফেরত চাই’ নিখোঁজ কিশোরের বাবার আকুতি

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
3 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ফরিদপুরের সালথায় আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ ইমরান খান (১৩)। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মেলেনি তার। কিশোর ইমরান জীবিত না মৃত, তাও জানে না তার পরিবার। এ অবস্থায় নিখোঁজ কিশোরের বাবার আকুতি—‘ছেলের মরদেহ হলেও যেন খুঁজে বের করে দেওয়া হয়। অন্তত হাড্ডি-গুড্ডিগুলো ফেরত চাই’। নিখোঁজ ইমরান খান ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়া গ্রামের চুন্নু খান ও হাজেরা বেগম দম্পতির ছেলে। আরও পড়ুন ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজের কারণ জানালো পুলিশ, এখনো উদ্ধার হয়নি ২ হাজার পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন প্রতিবেশী শামীম মোল্যার (২১) ধান ভাঙানোর কথা বলে বাবার কাছ থেকে ভ্যান নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ইমরান খান। অভাবের সংসারের হাল ধরতে মাঝেমধ্যে বাবার ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে বের হতো সে। নিখোঁজের তিন দিন পর ১৭ জুন বিকেলে পার্শ্ববর্তী মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কুমারপট্টি গ্রামে শামীমের আত্মীয় এলিনা বেগমের বাড়ি থেকে ইমরানের সঙ্গে থাকা ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একটি পাটক্ষেত থেকে ইমরানের ব্যবহৃত জুতা ও একটি কোদাল উদ্ধার করা হয়। সালথা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের তিন দিন পর ১৭ জুন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা করেন ইমরানের বাবা চুন্নু খান। মামলার দিন বিকেলে মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কুমারপট্টি গ্রাম থেকে এনায়েত শেখের স্ত্রী এলিনা বেগমকে (৩২) আটক করা হয়। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ইমরানের ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত ভ্যান। একই দিন শামীমের বাবা টুকু মোল্যা (৬৫) ও স্ত্রী সাথী বেগমকে (২১) আটক করা হয়। পরে তদন্তকালে মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রাম থেকে রাসেল মাতুব্বর (২১) নামে আরও এক যুবককে আটক করা হয়। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে রয়েছেন। দুজন বর্তমানে কারাগারে। তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত শামীম মোল্লা এখনো পলাতক। আরও পড়ুন নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে মাইলের পর মাইল হেঁটে চলেছেন বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইমরান খানের বাবা চুন্নু খান বলেন, ‘ছেলে জীবিত না মৃত কিছুই জানি না। আড়াই মাস ধরে খোঁজ করেও ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটছে আমাদের। ছেলের মরদেহ হলেও যেন খুঁজে বের করে দেওয়া হয়। অন্তত হাড্ডি-গুড্ডিগুলো ফেরত চাই।’ ইমরানের মা হাজেরা বেগম বলেন, ভ্যানটি উদ্ধার হলেও ছেলের কোনো সন্ধান মেলেনি। ছেলেকে খুঁজতে ফরিদপুর হাসপাতাল, মুকসুদপুর হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। কিন্তু কোথাও আমার ছেলের সন্ধান পাইনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এই মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত শামীম পলাতক। আমরা তাকে ধরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শামীমকে গ্রেফতার করতে পারলেই এ ঘটনার প্রকৃত জট খুলে যাবে।’ এন কে বি নয়ন/এসআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>