বিজ্ঞাপন
গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনার জন্য রাজধানী উন্নয়স কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মাহবুবুল আলম ও ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ।
বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ। তিনি জানান, রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনার জন্য রাজউক ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রিট করেন নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান, পরিবেশবিদ ফিরোজ আহমেদ, আমিরুল রাজিব ও সৈয়দা শাহীন মাহবুব।
রিট আবেদনে বলা হয়, রাজউক ওই সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবকে পার্ক ও মাঠ ব্যবহারের জন্য নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের সুযোগ দিয়েছে, যা মাঠ, পার্ক ও জলাধার সংরক্ষণ-সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থি।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মাঠ, পার্ক ও জলাধার-সংক্রান্ত আইন এবং আপিল বিভাগের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে গুলশান ইয়ুথ ক্লাব।
নিশাত মাহমুদ জানান, রুলে রাজউক ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের চুক্তির মাধ্যমে মাঠ ব্যবহারের জন্য অর্থ আদায় এবং বেআইনি স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, একই সঙ্গে মাস্টারপ্ল্যান লঙ্ঘন করে নির্মিত বেআইনি স্থাপনা চিহ্নিত করতে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
এফএইচ/এএমএ
বিজ্ঞাপন