বিজ্ঞাপন
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একদিনে মারা গেছেন আরও ছয়জন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ১৪৯ জনের মৃত্যু হলো। তাদের মধ্যে ৫২ জনই মারা গেছেন চলতি সেপ্টেম্বর মাসে।
এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ৫১৬ জন। এ নিয়ে এবার ভর্তি হলেন মোট ৫১ হাজার ৮৩৭ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৩ জন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাদের মধ্যে একজন শিশু এবং বাকিরা প্রাপ্তবয়স্ক।
মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৪৯ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ।
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু ঠেকাতে চট্টগ্রামের ২ হাজার মসজিদে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
মাসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেই তুলনায় চলতি মাসে অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ৫২ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন মারা যান ৮ সেপ্টেম্বর। ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৪৮, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১৮ ও সিটি করপোরেশনের বাইরে নয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে খুলনায় ২৭, ময়মনসিংহে ১৫, বরিশালে ১২, চট্টগ্রামে ১২, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন।
আরও পড়ুন
আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর রেকর্ড সেপ্টেম্বরের ১১ দিনেই ভাঙলো
রোগীর মাসভিত্তিক হিসাব মতে, গত আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৫ হাজার ৯৯১ জন। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৭১ জন ভর্তি হন ৮ সেপ্টেম্বর।
এর আগে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪ ও জুনে দুই হাজার ৯০৭ জন হাসপাতালে আসেন।
একিউএফ/
বিজ্ঞাপন