ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ উপনির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫৯৩ স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রশ্নে ইসি ও সরকারের সমন্বয়হীনতা প্রকাশ্যে কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের অর্ধেক সম্পদ বাজেয়াপ্ত ঢাবিতে পরপর তিন ককটেল বিস্ফোরণ আসিফ নজরুল: বিশ্বকাপ বয়কটের দায় আমারই আগামী বর্ষায় ঢাকায় আর রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি হবে না ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি: জড়িতদের শাস্তির দাবি শিক্ষক নেটওয়ার্কের
সারাদেশ

সরকারি জব্দ ড্রেজার মেশিন রাতের আঁধারে নিয়ে গেল অফিস সহায়ক

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
3 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
অবৈধ বালু উত্তোলন বা বালু সন্ত্রাস লামা উপজেলার জন্য নতুন বিষফোঁড়ায় রূপান্তরিত হয়েছে। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়নে দুই শতাধিক পয়েন্টে নির্বিচারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলন বন্ধে লামা উপজেলা প্রশাসন গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকটি মোবাইল কোর্ট ও সাড়াশি অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ১২টি ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। জব্দ ১২টি ড্রেজার মেশিন সরকারি নিয়ম মেনে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উম্মুক্ত নিলাম দেয়ার সময় ধার্য্য করেন। নিলামে স্থানীয় ও সারাদেশ থেকে আগত অর্ধশত ব্যবসায়ী অংশ নেন। উপজেলা প্রশাসন নির্ধারিত সরকারি ধার্য্য মূল্য না পাওয়ায় আজ ড্রেজার মেশিন গুলো নিলাম করা সম্ভব হয়নি। নিলামে অংশ নেয়া ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম জানান, মোবাইল কোর্টে যেসব ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়েছিল, সে অনেক গুলো মেশিন এখানে নেই। ভালো মেশিন গুলো রাতের আঁধারে সরিয়ে ফেলে জরাজীর্ণ ও নষ্ট কয়েকটি ছোট মেশিন রাখা হয়েছে। কিছুদিন আগেও ভালো মেশিন গুলো ছিল। পরে আমরা খবর নিয়ে জানতে পারি উপজেলা পরিষদের অফিস সহায়ক বর্তমানে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ঘনিষ্টভাজন মোঃ সোহেল রাতের আঁধারে দুইটি ভালো ড্রেজার মেশিন সরিয়ে নষ্ট ও খারাপ ছোট দুইটি মেশিন এখানে রাখে। সরিয়ে ফেলা মেশিন গুলো বর্তমানে অফিস সহায়ক মোঃ সোহেল এর বাড়িতে রয়েছে। নিলামে অংশ নেয়া আরেক ব্যবসায়ী মোঃ আইয়ুব জানান, খারাপ, নষ্ট ও জরাজীর্ণ মেশিন গুলোর দাম হাঁকানো হয় ৪ লাখ টাকা। যা ২ লাখ টাকাও যাবেনা। ভালো মেশিনগুলো কোথায় এমন প্রশ্ন করার পরে নিলামের স্থানে হট্টগোল লেগে যায়। দুপুরে আমরা কয়েকজন ব্যবসায়ী খুঁজতে গিয়ে ২টি ড্রেজার মেশিন উপজেলা পরিষদের অফিস সহায়ক মোঃ সোহেল এর বাড়িতে খুঁজে পাই। সোহেলের বাড়ি ইউএনও অফিসের ৫০০ গজের মধ্যে। মোবাইল কোর্টে জব্দ মেশিন গুলো সরকারি সম্পদ। এগুলো একজন অফিস স্টাফ কিভাবে নিয়ে যায় ? নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে একজন ব্যবসায়ী বলেন, গত কয়েকমাস আগেও জব্দ ড্রেজার মেশিন নিলাম হয়। সেখান থেকে ভালো মেশিন বর্তমান ইউএনও সাহেব রেখে দিয়ে তার বাসভবনে জেনারেটর বানিয়ে ফেলে। যদিও উক্ত জেনারেটর ক্রয়ে প্রকল্প দেখানো হয়েছিল। এই বিষয়ে জানতে মোঃ সোহেল এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন বলেন, একই রকম ড্রেজার মেশিন অনেক থাকতে পারে। কিভাবে নিশ্চিত হলেন সোহেলের বাড়িতে থাকা ড্রেজার মেশিনটি উপজেলা প্রশাসনের ? একটি অসাধু সিন্ডিকেট সরকারি কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ইস্যু তৈরি করছে।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>