ব্রেকিং নিউজ
অভিষেকেই ব্যাট হাতে জর্ডানের রেকর্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার রান পাহাড় চট্টগ্রামে নিহত সেনাসদস্য তাসনিমের বাড়িতে শোকের মাতম পাকিস্তান সেই একই বৃত্তে, এবার অলআউট ১৩৩ রানে আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা পুলিশ পরিচয়ে ভ্যান ছিনতাই, ঋণের চাপে দিশাহারা বৃদ্ধ দম্পতি বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে হুমকি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ, বিএনপির ৪ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৬ পদ্মার পানি বাড়ায় আলোর পাঠশালায় পরিবার নিয়ে তিন শিক্ষার্থীর আশ্রয় স্নায়ুতন্ত্রের জটিল রোগ অ্যাটাক্সিয়া কেন হয়, লক্ষণগুলো কী, প্রতিরোধের উপায় আমার বাবা ও ভাই মুক্তিযোদ্ধা, আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলায় জুলাই আন্দোলনে অংশ নিই: জেরায় সাক্ষী সাভারে এসআই আলতাব হত্যা মামলা: গ্রেপ্তার আরও ৩ আসামি পাঁচ দিনের রিমান্ডে
জাতীয়

আদালতে সাক্ষী দিতে যাওয়ার পথে ধর্ষণ মামলার বাদীকে মারধরের অভিযোগ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
শেরপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের ঘটনার মামলায় আদালতে সাক্ষী দিতে যাওয়ার পথে বাদীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র দাস। মামলা সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার হতদরিদ্র কৃষকের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী কন্যাকে ফুসলিয়ে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে একই গ্রামের মো. আজমত আলী ওরফে টেমুর ছেলে মো. শিপন মিয়া ওরফে ফকির (২৩)। এতে ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ফের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাকে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত করায় শিপন। ঘটনাটি জানাজানি  হলে একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শিপন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে একটি মামলা করেন ওই কিশোরীর বাবা। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে শেরপুর জেলা সিআইডিকে তদন্তের আদেশ দেন। পরবর্তীতে সিআইডির উপপরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন মামলাটির তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডাক্তারি সনদপত্র পর্যালোচনায় ধর্ষণ ও গর্ভপাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামি শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে শিপন মিয়া ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের কিছুদিন পর জামিনে বের হয়ে আসেন। ইতোমধ্যে মামলাটির অভিযোগ গঠন শেষে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য হয়। এরপর থেকে শিপন মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ার সুবাদে বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। একপর্যায়ে মামলা তুলে নিতে শুরু হয় হুমকি-ধামকী। সবশেষ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষী দিতে আসার সময় বাদী ও ওই কিশোরীর বাবার উপর হামলা চালায় আসামি পক্ষ। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ওই ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ, হাসপাতালে গিয়েও শিপনের আত্মীয় জেলা প্রশাসকের ট্রেজারি শাখার কর্মচারি মো. রুহুল আমিন ও তার ভাই মামলার বাদীকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। অভিযোগ অস্বীকার করে আসামি শিপনের ওই আত্মীয় মো. রুহুল আমিন বলেন, আমার ভাতিজাকে বাঁচানোর চেষ্টা আমি করব, এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি তাদের কোনো হুমকি দেইনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাঈম ইসলাম/এসজেডএইচ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>