ব্রেকিং নিউজ
এবার কলেজে শিক্ষার্থীর জন্য হাহাকার, যে ১০ কলেজে সর্বোচ্চ আবেদন পরীক্ষার সূচিতে টাইট স্পেস, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে নতুন ভাবনায় ইসি ১২ দেশের বর্জনের মুখে ইসরায়েল, আন্তর্জাতিক চাপে থামবেন কি নেতানিয়াহু জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ওয়াও মার্কেট। বন বিভাগের সামনেই উজাড় হচ্ছে টেংরাগিরি বনাঞ্চল নেশার টাকা না পেয়ে ১১ মাসের সন্তানকে বিক্রির হুমকি ট্রাম্পের চাপ বদলে দিচ্ছে ইউরোপের প্রতিরক্ষা, ভাঙনের মুখে ন্যাটো? খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধে খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেসি সভা নেপাল লিগে খেলবেন সাকিব-আকবর আলী
জাতীয়

আপনি কি নিজের অজান্তে একাই সম্পর্কটা টেনে নিয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৫ লক্ষণ

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

ভালোবাসার সম্পর্ক মানে কি ফিফটি-ফিফটি? কেউ যত্ন দেখান কথায়, কেউ কাজে। আসল প্রশ্ন হলো দুজনেই কি সম্পর্কটির দায়িত্ব নিচ্ছেন? সম্পর্কে কি পারস্পরিকতা আছে?

দাম্পত্য ভালোবাসা প্রেম
সম্পর্কের ভাঙন সব সময় বড় ঝগড়া বা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে হয় না। বেশির ভাগ সময় তা শুরু হয় নীরবে

সম্পর্কের ভাঙন সব সময় বড় ঝগড়া বা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে হয় না। বেশির ভাগ সময় তা শুরু হয় নীরবে। একজন বারবার খোঁজ নেন, অন্যজন শুধু উত্তর দেন। একজন পরিকল্পনা করেন, অন্যজন যেটুকু সাড়া না দিলেই নয়, কেবল সেটুকুই দেন।

একজন ঝগড়ার পর এগিয়ে যান, অন্যজন অপেক্ষা করেন। বাইরে থেকে সম্পর্কটি তখনো ‘আছে’। কথা হচ্ছে, দেখা হচ্ছে, একসঙ্গে এক ছাদের নিচে ‘থাকা হচ্ছে’।

কিন্তু ভেতরে–ভেতরে একজনের মনে কু ডাকছে, ‘আমি না থাকলে কি এই সম্পর্ক আদৌ থাকবে?’

ভালোবাসা কি হিসাবের খাতা

ভালোবাসার সম্পর্ক মানে কি ফিফটি-ফিফটি? কেউ যত্ন দেখান কথায়, কেউ কাজে। আসল প্রশ্ন হলো দুজনেই কি সম্পর্কটির দায়িত্ব নিচ্ছেন? সম্পর্কে কি পারস্পরিকতা আছে?

‘পারসিভড পার্টনার রেসপনসিভনেস’–এর গবেষণায় সঙ্গী আপনার প্রতি কতটা সহানুভূতিশীল, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আপনাকে গুরুত্ব দেন ও আপনার প্রয়োজনে কতটা সাড়া দেন—এই তিন বিষয়কে সম্পর্কের সুস্থতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখা হয়েছে।

পাঁচটি লক্ষণ

১.

সব সময় কি আপনিই প্রথমে মেসেজ করেন? আপনিই কি দেখা করার বা সব ‘আস টাইমের’ পরিকল্পনা করেন?

২.

প্রতিটি ঝগড়ার পর আপনিই কি ‘সব ঠিক’ করার দায় অনুভব করেন? ভুল না করেও ক্ষমা চান? গবেষণা বলছে, দ্বন্দ্বের সময় সরে যাওয়া সম্পর্কের মানের জন্য বেশি ক্ষতিকর। আসল কথা, কী নিয়ে ঝগড়া হচ্ছে তা নয়, উভয় পক্ষ সেটি মেটানোর ব্যাপারে কতটা আন্তরিক, সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

৩.

আপনি থামলে কি যোগাযোগও থেমে যায়? কথোপকথনে সব সময় তাঁর কথাই উঠে আসে আর আপনার দিনটা কেমন গেল, তা জিজ্ঞাসা করে না? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে এভাবেই সম্পর্ক নীরবে একতরফা হয়ে যায়।

৪.

বারবার কি আপনিই ছাড় দিচ্ছেন? সময়, পরিকল্পনা, পছন্দ বা প্রয়োজনের ক্ষেত্রে আপনাকেই কি নিয়মিত মানিয়ে নিতে হচ্ছে?

৫.

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ, সম্পর্কের মধ্যে থেকেও একা লাগা। প্রতিদিন কথা হয়, দেখা হয়, তবু ভেতরে একটা শূন্যতা থেকে যায়। একসঙ্গে থাকা আর আবেগগতভাবে সংযুক্ত থাকা এক কথা নয়।

তাহলে কি সম্পর্ক শেষ

সব সময় নয়। একজন বেশি মেসেজ করেন, অন্যজন কম, এতেই সম্পর্ক একতরফা হয় না। দেখতে হবে ধরন (প্যাটার্ন)। গত কয়েক মাসে প্রায় সব উদ্যোগ কি আপনার? আপনার প্রয়োজন কি বারবার উপেক্ষিত হচ্ছে? যদি উত্তর বারবার ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে খোলামেলা কথা বলার সময় এসেছে।

ভালোবাসা মানে সমান হিসাব নয়, সমান উপস্থিতি

ভালোবাসা কোনো হিসাবের খাতা নয়। সবার প্রতিটি দিন একরকম যায় না। আপনার দিনে আপনি নিজের সেরাটা দিলেন। কিন্তু আপনার খারাপ দিনে তিনি নিজের সবটা দিয়ে পাশে আছেন তো?

এই একটি জায়গায় হিসাব জরুরি, সম্পর্কে দুজনেই উপস্থিত তো? ভালোবাসা একটু কমবেশি হোক, ভারসাম্য আছে তো? কেননা দিন শেষে সম্পর্ক কখনো যেকোনো একজনের দায়িত্বে টেকে না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>