বিজ্ঞাপন
দেশের কিন্ডারগার্টেনসহ প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী সব ধরনের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারের তদারকির আওতায় আনতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ নীতিমালায় এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি স্কুলগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনার বিষয়ে এরই মধ্যে অ্যাডভাইজরি কমিটি করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন নীতিমালা তৈরি করা হবে।
আরও পড়ুন
প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
তিনি বলেন, ‘অনেক স্কুল হয়েছে। কিন্তু অনেক স্কুল কমে যাক, এটাও আমরা চাই না। আমরা চাই সবার কাছে যেন অ্যাকসেস টু এডুকেশন থাকে। এটা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু কেউ যেন আবার এডুকেশনের নামে অসৎ ব্যবসা করতে না পারে।’
কিন্ডারগার্টেন ও অন্যান্য বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান নিশ্চিত করতে নীতিমালায় ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সেই সার্ভিসটা ঠিকভাবে দিতে হবে। সো সেটা আমাদের মনিটরিংয়ের অধীনে এখন আনা হবে। ঐ মনিটরিংয়ের অধীনে আনার জন্য নীতিমালাগুলো কত স্ট্রিক্ট হবে, আমরা মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ডগুলো সেট করতে চাই।’
নীতিমালা বেশি কঠোর হলে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, এতে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। সরকার এমন পরিস্থিতি চায় না। তাই কীভাবে ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বেসরকারি স্কুলগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনার সময়সীমা হিসেবে আপাতত ২০২৮ সাল নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের ওপরে একটা সর্ট অব সময় নির্ধারণ করে দিচ্ছি। আপাতত এখনো সবকিছু যেহেতু ফাইনাল হয়নি, আমরা আলোচনায় আছি যে ২০২৮।’
শুধু কিন্ডারগার্টেন নয়, প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে সরকারের মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ‘প্রাইমারি এডুকেশন যত ধরনের ইনস্টিটিউশন দিচ্ছে, তাদের সবাইকে সুনার অর লেটার আমরা আমাদের মনিটরিংয়ের অধীনে নিয়ে আসবো।’
আরএমএম/এমএএইচ/
বিজ্ঞাপন