ব্রেকিং নিউজ
জাতীয়

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বগুড়া শহরের কৈপাড়ায় মুদিদোকানে ঈদের চাঁদা না পেয়ে কোরআনের হাফেজ ও ব্যবসায়ী রাকিবুল হাসান হৃদয়কে (২৮) কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যার দায়ে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রতিটি আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা পৌনে ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার ধাওয়াপাড়া এলাকার টিয়া মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন (২৩) ও আসলামের ছেলে মো. রাব্বি (২৪)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একই এলাকার মমতাজের ছেলে আশিক (২২), মনু মিয়ার ছেলে মো. শাকিল (২৩) ও সাফির ছেলে মতিন (২৫)। জানা গেছে, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার কৈপাড়া এলাকায় হৃদয়ের মালিকানাধীন হৃদয় ভ্যারাইটি স্টোরে আসামিরা এসে ঈদ উপলক্ষে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকে রাকিবুল হাসান হৃদয় ও তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদকে (৫৮) উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদয়ের মৃত্যু হয়। আরও পড়ুন মাগুরায় শিশু হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল এ ঘটনায় নিহতের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এস এম মাসুদুর রহমান স্বপন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি তুচ্ছ ঘটনা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এক যুবককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধীদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই দৃষ্টান্তমূলক রায় দিয়েছেন। আমরা এতে সন্তোষ প্রকাশ করছি। এদিকে রায় ঘোষণার মামলার বাদী ও নিহত হৃদয়ের মা আয়শা সিদ্দিকা বলেন, আমার একমাত্র ছেলে কোরআনের হাফেজ ছিল। ঈদের আগের দিন ওরা আমার ছেলেকে খুন করে। আর ঈদের পরের দিন আমার ছেলের এক পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। যে শিশু কোনো দিন তার বাবাকে দেখতে পারল না। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট এবং দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি। এলবি/এনএইচআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>