বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল-আধিপত্যকে কেন্দ্র করে জিল্লুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে ফেনী সদর থানার মধ্যরামপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের দিদার (৪০), আহমদ উল্লাহ (৪০), শহিদ (৪০) ও শহিদুল ইসলাম কালু (৩৫)। তারা সবাই সরল এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের তাজুর ঘোনা এলাকায় লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত ৩০ জুলাই রাত ১১টা থেকে ৩১ জুলাই রাত ২টার মধ্যে একদল লোক অস্ত্র নিয়ে তাজুর ঘোনা দখলের চেষ্টা করে।
এ সময় ঘোনায় পাহারার দায়িত্বে থাকা জিল্লুর রহমানকে সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য অস্ত্রের মুখে হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে জিল্লুর টর্চের আলো দিয়ে তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে বুকে তিনটি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জিল্লুরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ৩১ জুলাই ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ২ আগস্ট দায়ের করা মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন পলাতক আসামি ফেনী সদর এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে ফেনী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৭।
এমআরএএইচ/জেএইচ
বিজ্ঞাপন