ব্রেকিং নিউজ
ট্রাম্পের চাপে ‘লেক অন্টারিও’র নাম বদলাল গুগল মুক্তির পর যেসব কারণে সমালোচনার মুখে ‘টক্সিক’ Kolkata: শহরের বুকে বয়সভিত্তিক ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, কোর্ট মাতালেন আমলা-মন্ত্রীরাও গাইবান্ধায় জেলা আ.লীগের নেতা গ্রেপ্তার পদ্মা সেতুর ঢালে গতকালের দুর্ঘটনায় কতটুকু ক্ষতি হলো, মেরামতে কত লাগবে নিউইয়র্কে দুজনকে ছুরিকাঘাতের পর পুলিশের গুলিতে নারী আহত কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে দল ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বিএনপি নেতা টয়োটা ব্র্যান্ডের যথাযথ ব্যবহার ও সুরক্ষায় নির্দেশনা ঠাণ্ডা মাথায় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কাজ নতুন সরকারের ১৮০ দিন: সূচনা ভালো, পথ এখনো দীর্ঘ
জাতীয়

নতুন সরকারের ১৮০ দিন: সূচনা ভালো, পথ এখনো দীর্ঘ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রায়ে ক্ষমতায় আসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন তারেক রহমান। এর ঠিক দেড় বছর আগে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন দেশের রাজনীতির গতিপথ বদলে দিয়েছিল। সেই প্রত্যাশার ভার নিয়েই নতুন সরকারের পথচলা। ক্ষমতা পেয়েই সময় নষ্ট করেনি সরকার। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে দেওয়া হয়। লক্ষ্য ছিল চারটি—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, বিদ্যুৎ-গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা আর দুর্নীতিতে লাগাম টানা। এই ১৮০ দিনে সরকারের অর্জনকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। প্রথম ১০০ দিনে ২০০টির বেশি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের ভেতরের স্থবিরতা কেটেছে। জনকল্যাণ, আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে দৃশ্যমান কিছু কাজ শুরু হয়েছে। তবে সূচনা ভালো হলেও পথ এখনো দীর্ঘ। ১৮০ দিন ছিল সূচনার সময়। এই সূচনার মূল্যায়নে আমরা সন্তুষ্ট হতেই পারি। তবে সূচনা থেকেই শুরু হয় আসল পরীক্ষা। মানুষ এখন স্লোগান নয়, ফল চায়। নিরাপদ জীবন, কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং কাজের সুযোগ—এই তিনটি দিতে পারলেই সরকার জনগণের আস্থা ধরে রাখতে পারবে। এই সূচনার মধ্যেই সবচেয়ে আলোচিত উন্নয়ন উদ্যোগটি শুরু হয়েছে চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরকে ঘিরে। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা এই উপকূলীয় ভূখণ্ডকে ঘিরে সরকার উপকূলীয় অর্থনীতি, পর্যটন আর স্থানীয়দের কর্মসংস্থান—তিনটি সম্ভাবনাকে একসঙ্গে ধরতে চাইছে। পরিকল্পনাটি যদি স্বচ্ছতা আর পরিবেশের ভারসাম্য নিয়ে এগোয়, তবে লালদিয়ার চর শুধু চট্টগ্রামের নয়, গোটা দেশের জন্যই দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। জনকল্যাণের জায়গায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি এখন দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাচ্ছে। বিরোধী দলগুলো প্রথম থেকেই এই কার্ড নিয়ে নানা সমালোচনা তুলেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা থাকবে না এবং এটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠবে। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের ১৮০ দিনের মধ্যেই কার্ড বিতরণ ও ডিজিটাল নিবন্ধন মাঠপর্যায়ে শুরু হওয়ায় জনগণের মধ্যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে ৫ লাখ পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ১২ লাখ কৃষকের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ ও সুদ মওকুফের প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাবে ফ্যামিলি কার্ড এখন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সফলতাকে এগিয়ে নিচ্ছে। তবে এই সাফল্য টেকসই করতে হলে কার্ডধারী নির্বাচনে তৃতীয় পক্ষের অডিট, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে তালিকা প্রকাশ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির হটলাইন রাখা জরুরি। দ্রব্যমূল্য ছিল সরকারের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার। সরকারের দাবি, মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নেমেছে। এটি আংশিক স্বস্তি দিলেও বাজারে গিয়ে মানুষ এখনো আগের মতোই চাপ অনুভব করছে। কারণ, মূল্যস্ফীতি কমা মানেই পণ্যের দাম কমা নয়। চাল, ডাল, তেল, সবজি, ওষুধ ও পরিবহনের ব্যয় এখনো অনেকের নাগালের বাইরে। শুধু বাজার তদারকি নয়, উৎপাদন বাড়ানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ভাঙা—এই দুটো একসঙ্গে করতে পারলেই মানুষ প্রকৃত স্বস্তি পাবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ এখনো আছে। এটি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সাফল্যও চোখে পড়েছে। বিভিন্ন জেলায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে যৌথ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগস্টের ব্রিফিং অনুযায়ী, গত তিন মাসে দেশের ১৪টি জেলায় চাঁদাবাজি ও ছিনতাই চক্রের ২০০ জনের বেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্পর্শকাতর কয়েকটি মামলায় দ্রুত বিচারিক নিষ্পত্তির উদাহরণও তৈরি হয়েছে। পল্লবীর ধর্ষণ-হত্যা মামলায় ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের শিশু ধর্ষণ মামলায় ২৯ কর্মদিবসে রায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে। নাগরিকদের নিরাপত্তাবোধ পুরোপুরি ফেরাতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়ার গতি আরও বৃদ্ধি করতে হবে। ভূমি সেবায় নতুন গতি এসেছে দেশে। ভূমি নিয়ে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে উদ্যোগী হয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম ১৮০ দিনেই তিনি ভূমি সেবাকে ডিজিটাল ও হয়রানিমুক্ত করার কাজকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত সারাদেশে ই-নামজারি বাধ্যতামূলক করা। এখন আবেদন থেকে মঞ্জুরি পর্যন্ত সব কাজ অনলাইনে। এতে নামজারি নিষ্পত্তির সময় ৪৫ দিন থেকে কমে ২৮ দিনে এসেছে। তিনি নিয়মিত এসিল্যান্ড ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে অগ্রগতি তদারকি করছেন। ঘরে বসে খাজনা দেওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে। ভূমি অপরাধ ঠেকাতে আইনের কঠোর প্রয়োগ শুরু হয়েছে। জাল দলিল ও জোরদখলের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। অভিযোগের জন্য চালু আছে ১৬১২ হটলাইন। দীর্ঘমেয়াদে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ৫ জেলায় শুরু হয়েছে ডিজিটাল জরিপ BDS। ২০৩০ সালের মধ্যে সারা দেশে এটি শেষ করার লক্ষ্য। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র’ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমনে সরকার কঠোর অবস্থানের কথা বলেছে। প্রকল্পে আর্থিক শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা চলছে। কিন্তু ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রথম ১০০ দিনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে এখনো দলীয় প্রভাব ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা আছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুধু ছোট পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। বড় প্রকল্প, ব্যাংকঋণ ও নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো ব্যাংকিং খাত। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আগস্ট ২০২৬-এ জানান, মোট ব্যাংকঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশ এখন খেলাপি। সরকার ১৮ মাসের পুনর্গঠন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এটি ইতিবাচক। তবে এই খাতে আস্থা ফেরাতে হলে প্রভাবশালী খেলাপিদের বিরুদ্ধে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। বিনিয়োগের পরিবেশ এখনো পুরোপুরি আস্থা দিতে পারছে না। সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের কথা বলছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আগস্টে বলেন, নীতির ধারাবাহিকতা ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতা বড় বাধা। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন FICCI বন্দরজট ও গ্যাসসংকটের কথাও বলেছে। এখানে আমলাতান্ত্রিক জট কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। শিক্ষা ও শ্রম খাতে সরকারের নেওয়া কিছু পদক্ষেপ প্রশংসার দাবি রাখে। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার উদ্যোগটি সময়োপযোগী। সরকার শিক্ষায় জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়, মিড-ডে মিল, শ্রেণিকক্ষ ডিজিটালাইজেশনের পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে। বেকারত্ব কমাতে এবং তরুণদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে বড় ভূমিকা রাখবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও ক্যাম্পাসগুলোতে গত ১৮০ দিনে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ দেখা গেছে। ২০২৪ সালের অস্থিরতার পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস-পরীক্ষা নিয়মিত চলছে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির। তবে এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। উচ্চশিক্ষার মান বাড়াতে সরকারকে এখনই গবেষণা খাত ও অবকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিসরে পরিকল্পনা নিতে হবে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাজেট এখনো জিডিপির ০.৪ শতাংশের নিচে। স্বল্পমেয়াদি গুচ্ছ প্রকল্পের মাধ্যমে ল্যাব, লাইব্রেরি, আবাসন ও শিক্ষক নিয়োগে দ্রুত বিনিয়োগ করলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। শ্রম মন্ত্রণালয় দুই দফা কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তবে এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ ও পর্যবেক্ষণ কাঠামো দরকার। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মানুষ শুধু সরকারের পরিবর্তন চায়নি, রাষ্ট্রের চরিত্রের পরিবর্তন চেয়েছে। সুশাসনের জন্য কাজ করা সংগঠন সুজন বলছে, জুলাই চার্টার বাস্তবায়নে দেরি হলে সরকারের অন্য অর্জনগুলো ম্লান হয়ে যেতে পারে। এখানে দলীয় সিদ্ধান্তের চেয়ে জাতীয় ঐকমত্য বেশি প্রয়োজন। পররাষ্ট্রনীতিতে সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির কথা বলছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আবেগ দিয়ে নয়, স্বার্থ ও বাস্তবতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে। গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে সরকারি চাপ কমেছে বলে সরকার দাবি করছে। তবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতার প্রশ্নটি এখনো গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের সামনে এখন কাজ হলো প্রতিশ্রুতিকে ফলাফলে রূপ দেওয়া। ফ্যামিলি কার্ডের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলাকে নাগরিক নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে দেখা, প্রশাসনে মেধাকে প্রাধান্য দেওয়া, ব্যাংকিং খাতে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিনিয়োগের জন্য নীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য স্বল্পমেয়াদি গুচ্ছ প্রকল্প হাতে নিয়ে গবেষণা ও অবকাঠামোতে বড় বিনিয়োগ করলে উচ্চশিক্ষা খাতও এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন ও সরবরাহ—দুটোকেই গুরুত্ব দিতে হবে। ১৮০ দিন ছিল সূচনার সময়। এই সূচনার মূল্যায়নে আমরা সন্তুষ্ট হতেই পারি। তবে সূচনা থেকেই শুরু হয় আসল পরীক্ষা। মানুষ এখন স্লোগান নয়, ফল চায়। নিরাপদ জীবন, কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং কাজের সুযোগ—এই তিনটি দিতে পারলেই সরকার জনগণের আস্থা ধরে রাখতে পারবে। লেখক: অধ্যাপক, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>