ব্রেকিং নিউজ
ঐশীকে যতবার অপশন দেওয়া হবে, ততবারই কেন বান্দরবান বেড়াতে যেতে চাইবেন প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে চাকরি, আবেদন ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চেকপোস্টে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালাল মোটরসাইকেলচালক গ্রামের মানুষের জন্য তৈরি করা বাংলাদেশের ভুয়া সংবাদ নেটওয়ার্ক স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে ক্লড হুথিদের বিদ্যুগতির এগিয়ে চলা ইরান যুদ্ধে কী প্রভাব ফেলবে? ২ কোটি বাজেটে ২০০ কোটির ব্যবসা, বাজিমাত করল ‘হনুমান আংশ’ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেল খুবির নিরাপত্তাকর্মীর চট্টগ্রামে লোকনাথ সেবাশ্রমে ৩ গুণীকে সংবর্ধনা সাক্ষী যখন শ্রীমতি চাঁদ যেন জীবন্ত কবিতা বিরোধীদলের লংমার্চে উৎসাহিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফ্যাসিস্টরা মিছিল করছে
জাতীয়

নাব্যতা ফিরলেও ফেরি সংকটে অচল চিলমারী-রৌমারী নৌপথ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
নাব্যতা সংকট কাটাতে খননকাজ শেষ হয়েছে। ফিরেছে ফেরি চলাচলের প্রয়োজনীয় পানির গভীরতাও। নৌপথ সচল রাখতে চলছে সংরক্ষণমূলক ড্রেজিং। কিন্তু নৌপথ প্রস্তুত থাকলেও ফেরি নেই। ফলে নাব্যতা ফিরলেও কুড়িগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ চিলমারী-রৌমারী নৌপথে বন্ধ রয়েছে ফেরি চলাচল। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী, পণ্যবাহী যানবাহনের চালক ও ব্যবসায়ীরা। জানা গে‌ছে, গত ১৪ আগস্ট নাব্যতা সংকটের কারণে এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়। সবশেষ ফেরি ‘কদম’ গত ২ সেপ্টেম্বর মেরামতের জন্য নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। ফলে বর্তমানে পুরো নৌপথটি ফেরিশূন্য। যানবাহন পারাপারের জন্য এসে ফেরি না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়, নৌপথে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে গত ২৫ জুলাই থেকে ড্রেজিং শুরু হয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএসের কারিগরি পরামর্শে চিলমারী ও রৌমারী ঘাট এবং খেরুয়ার চরসংলগ্ন সংকটাপন্ন এলাকায় চারটি কাটার সাকশন ড্রেজার দিয়ে খননকাজ চালানো হয়। সূত্র আরও জানায়, এসব এলাকায় বর্তমানে ফেরি চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পানির গভীরতা রয়েছে। পলি জমে আবার নাব্যতা সংকট তৈরি না হয় সে জন্য সংরক্ষণমূলক ড্রেজিংও চলছে। বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের চিলমারী নদীবন্দরের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌপথের সংকটাপন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় গভীরতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে ফেরি চলাচলে কোনো বাধা নেই। এদিকে ফেরি চলাচল দ্রুত শুরু করতে বিআইডব্লিউটিএর পুরকৌশল শাখা (ড্রেজিং বিভাগ) উদ্যোগ নিয়েছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) সমীর চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত চিঠি বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী নদীবন্দরের সহব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ও এরিয়া ইনচার্জের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে ড্রেজিংয়ের পরপরই চ্যানেল সচল রাখা এবং নিয়মিত ফেরি চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তা না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার পলি জমে নাব্যতা সংকট তৈরি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। নৌপরিবহণ সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ‘কুঞ্জলতা’ ফেরির মাধ্যমে চিলমারী নদীবন্দরে ফেরি সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। পরে একই বছরের ৪ অক্টোবর ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ এবং নভেম্বরে ‘কদম’ ফেরি যুক্ত হয়। তবে সময়ের ব্যবধানে একে একে ফেরিগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনটি ফেরি সরিয়ে নেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ আবারও ফেরিশূন্য হয়ে পড়েছে। ফেরি বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন পণ্যবাহী যানবাহনের চালক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিকল্প দীর্ঘ পথে চলাচল করতে গিয়ে বাড়ছে সময় ও জ্বালানি খরচ। বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী নদীবন্দরের ম্যানেজার (বাণিজ্য) আতিক সোহেল আকাশ বলেন, খনন বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী মেরিন অফিসার ও পাইলট বিভাগ পানির গভীরতা পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। ফেরি পাঠানোর জন্যও চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্য) এসএম আশিকুজ্জামান বলেন, ‌‘নাব্যতার কথা আমরা জেনেছি। ফেরি পাঠানোর বিষয়ে এখনই কিছু বলতে পারছি না।’ রোকনুজ্জামান মানু/এসজেডএইচ/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>