ব্রেকিং নিউজ
রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের 'আজকের প্রজন্ম'র ১৫ হাজার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন সংসদ ভবনের সামনে জামায়াত-জোটের অবস্থান খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৪৩ ডেঙ্গু রোগী  চিকিৎসা শেষে ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস একই দিনে দুই ‘কিং’, বক্স অফিসে মুখোমুখি শাহরুখ-নাগার্জুন কীভাবে আতলেতিকোর শত্রু হয়ে গেলেন আলভারেজ, কী হবে শেষ পর্যন্ত ছেলের ছবি গলায় ঝুলিয়ে ১২ বছর ধরে খুঁজছেন, যুবদল নেতার সন্ধান চান মা করপোরেট জীবনটা স্কুলের মতো, পরীক্ষা চলতেই থাকে: তরুণীর আক্ষেপ ‘শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আগে ভেবে দেখবেন, যদিও আপনি পারবেন কি না’
জাতীয়

বিলিয়ন ডলারের সম্পদ সচল করতে থার্ড টার্মিনালে অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণে অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হান্নান মাসউদের আনীত অভিযোগের জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এটি ঠিকাদারকে নতুন করে দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া নয়, বরং ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের বিশাল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিকে দ্রুত সচল করে রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পদক্ষেপ। সম্পূরক প্রশ্নে অভিযোগ উত্থাপন করে হান্নান মাসউদ এমপি বলেন, আন্তর্জাতিক টার্মিনালের প্রাক্কলিত ব্যয় ১৩ হাজার কোটি টাকা থেকে কয়েক দফা বৃদ্ধি পেয়ে ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। সেখানে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দপ্তর তদন্ত করে প্রায় ৪ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত করেছে। ঠিকাদারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুপারিশ করা সত্ত্বেও কাজের প্রায় ৯৯.৯১ শতাংশ শেষ হওয়ার পর শেষ মুহূর্তে পুনরায় ৯০২ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা ঠিকাদারকে দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়ার শামিল কি না, তাও জানতে চান হান্নান। আরও পড়ুন বেবিচক কার্যালয়ে সপ্তাহে ১ দিন অফিস করবেন বিমানমন্ত্রী সংসদ সদস্যের এই প্রশ্নের জবাবে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিগত সরকারের আমলে শুধুমাত্র ভবন উদ্বোধন করেই কাজ শেষ বলে চালিয়ে দেওয়ার একটা প্রবণতা ছিল। কিন্তু বাস্তবে থার্ড টার্মিনালের মেশিনারিজ ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সংকেত বা সংযোজন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অসম্পূর্ণ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। টার্মিনালে প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাষ্ট্রীয় সম্পদ পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এর ফলে সরকার একদিকে এটি ব্যবহার করতে পারছিল না, অন্যদিকে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার কাছ থেকে নেওয়া ঋণের বড় অংকের কিস্তি এরই মধ্যে পরিশোধ করা শুরু হলেও অবকাঠামো সচল না থাকায় কোনো আয় হচ্ছিল না। মন্ত্রী সংসদে আরও নিশ্চিত করে জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সার্বিক হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করে দেখেছে যে, কাজ চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন করা, ঠিকাদারের পূর্বে থাকা কিছু বকেয়া পরিশোধ এবং অন্যান্য সংস্থার বকেয়া মিটিয়ে অবকাঠামো চালুর জন্য স্বচ্ছতার ভিত্তিতেই ৯০২ কোটি টাকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এই অর্থ অনুমোদন দেওয়া না হলে সুবিশাল টার্মিনালটি পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকত, যা জাতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতো। অতিরিক্ত এই বরাদ্দ অনুমোদন হলে খুব দ্রুতই টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হবে এবং বর্তমান ১.২ মিলিয়ন যাত্রীর জায়গায় দ্বিগুণ যাত্রী সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে জাইকার ঋণ সহজেই পরিশোধ করা যাবে। সেই লক্ষ্যেই পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। আরও পড়ুন শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সংসদে অপর এক সম্পূরক প্রশ্নে বিমানের অতিরিক্ত ভাড়া ও টিকিট কালোবাজারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুজিবুর রহমান এমপি অভিযোগ করেন, অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান ভাড়া হঠাৎ ৬ হাজার টাকা থেকে লাফিয়ে দ্বিগুণ বা ১২ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়, যা যাত্রীসাধারণের জন্য মারাত্মক অসহনীয় ও অস্বাভাবিক। এই ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়। উত্তরে বিমানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। কারণ কোনো সাধারণ ওয়ান-ওয়ে টিকিটের দাম কখনো ১২ হাজার টাকা স্পর্শ করেনি। সাধারণত রিটার্ন টিকিটের দাম বা বিশেষ ট্যাক্সসহ খরচ হিসাব করলে এটি সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে বেসিক টিকিট প্রাইস নির্ধারিত সীমার মধ্যেই থাকে, যার ওপর সরকারকে প্রায় ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হয়। সব মিলিয়ে একটি টিকেটের স্বাভাবিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৬ হাজার ৩০০ থেকে ৬ হাজার ৪০০ টাকা। মন্ত্রী জানান, কোনো কোনো সময় টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে শেষ মুহূর্তে এক শ্রেণির অসাধু চক্র টিকিট কালোবাজারির অপচেষ্টা চালায়। কালোবাজারি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে সরকার দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং যাত্রীরা ভবিষ্যতে কখনোই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে টিকিট কিনবেন না। একইসঙ্গে সাধারণ যাত্রীরা যেন নির্ধারিত ৬ হাজার ৪০০ টাকার আশেপাশেই টিকিট পান, তা নিশ্চিত করার জন্য সংসদকে জানান তিনি। এমওএস/এমএমকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>