ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার সাড়ে ১২ কোটি টাকার কাজে অনিয়ম, ধসে পড়ল আরসিসি প্ল্যাটফর্ম ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ দিয়ে সুপারহিট, এবার যে স্বপ্ন পূরণ করতে চান অমি ভোলায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ভিডিওতে কটূক্তি, থানায় জিডি পুলিশকে নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান মাটিচাপা অন্ধকার সুড়ঙ্গ থেকে কীভাবে ৯ দিন পর উদ্ধার হন দুই নেপালি শুধু মেয়েদের জন্য কেন সাপার ক্লাব করলেন মার্সী ত্রিপুরা, তাঁর ডাইনিংয়ে খেতে হলে কী করতে হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ‘সফট ওপেনিং’–এর সম্ভাব্য তারিখ জানালেন বিমানমন্ত্রী ব্যালন ডি’অর ২০২৬ মনোনয়ন: সেরা ক্লাবের নমিনেশন পেল কারা
জাতীয়

রংপুরে দাম বেড়েছে মাছ-ডিম-কাঁচামরিচের

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে কাঁচামরিচসহ মাছের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজিসহ চাল-ডাল ও মাংসের দাম। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিহালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৪-৪৫ টাকা। এছাড়া কাঁচামরিচ ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭০-৮০ টাকা। তবে পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আকারভেদে রুইমাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৪৫০ টাকা, টেংরা ৪০০-৬০০, কই ২০০-৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা, কারপু ২০০-৩০০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-২২০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৫০-২৫০ টাকা, শিং ৩০০-৫০০ টাকা, সিলভার কার্প ১২০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা। শাপলা বাজারের মাছ বিক্রেতা লিটন মিয়া বলেন, সামুদ্রিক অঞ্চল থেকে মাছ আমদানি কমে গেছে। এ কারণে এই অঞ্চলের মাছের ওপর চাপ বেড়েছে। ফলে প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো ও গাজর ১৪০-১৫০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১২০-১৪০ টাকা, কাঁকরোল গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, মুলা ৪০-৫০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২০-৩০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৪০-১৬০ টাকা, দুধকুষির দাম কমে ৩০-৩৫ টাকা, শসা গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৫০-৬০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, পটোল ৩৫-৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, শিম ১৬০-১৮০ টাকা থেকে কমে ১২০-১৬০, বরবটি আগের মতো ৫০-৬০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ১২০-১৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫-৫০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৪৫০-৫০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু ২২-২৫ টাকা থেকে কমে ২০-২২ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩৫-৪০ টাকা টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা  কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি আদা ২২০-২৪০ টাকা থেকে কমে ২০০-২২০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৪০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা হেলাল মিয়া বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে দুই-একটি সবজির দাম বাড়া-কমা হলেও অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আর এক-দুই মাসের মধ্যে শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে পারে। এতে সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগির দাম সামান্য বেড়ে ৩১০-৩২০ টাকা থেকে হয়েছে ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৬০-২৭০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৯০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার গত সপ্তাহের মতোই ৩৩০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫২০-৫৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, মসুর ডাল (মাঝারি) ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০-১৭০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১১০-১১৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৬৫-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর২৯- ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫০-৬০ টাকা, মিনিকেট ৭৫-৮০, নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা এবং খোলা আতপ চাল ২০০-২১০ টাকা ও প্যাকেট চাল ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জিতু কবীর/এফএ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>