ব্রেকিং নিউজ
সেই স্কুলে ফাঁকা চেয়ারে প্রধান শিক্ষকের স্মৃতি, মাঠে মরদেহ এজাহারে নাম নেই, বাদীর সন্দেহও নেই, রাষ্ট্র কেন সন্দেহ করছে ছিনতাইকারীর কবলে শিক্ষিকা নিহত: মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ব্লাড ক্যান্সারের পর নতুন সংকটে গোবিপ্রবি শিক্ষক, প্রয়োজন ২৫ লাখ টাকা প্রতিটি উপজেলায় হবে বয়স্ক পুনর্বাসন কমপ্লেক্স: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত যত ক্ষমতাশালীই হোক, বিচার হবেই: আইনমন্ত্রী অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অল্প সময়ের মধ্যে গণপতি হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর হবে গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রাখা হচ্ছে: মন্ত্রী
জাতীয়

সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, উদ্ধারের আশায় পথ চেয়ে হাজারো পরিবার

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
নেপাল ও চীনে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যার পর হাজারো নিখোঁজ মানুষকে উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া, পাহাড়ি দুর্গম এলাকা এবং নদীর পানির উচ্চতা বাড়ায় উদ্ধার অভিযান কঠিন হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপাল-চীন সীমান্তের দুই পাশে এখনো ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীপথ দিয়ে নেমে আসে। এতে নেপাল ও চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের হিসাবে, এই দুর্যোগে ৯০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। চীন এ বিপর্যয়ের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই শনিবার নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াং ই এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত দুর্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি উদ্ধার অভিযানকে নজিরবিহীনভাবে জটিল ও কঠিন বলে মন্তব্য করেন। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে ৭৩৪ জন মারা গেছেন, ২ হাজার ৪৯৮ জন এখনো নিখোঁজ এবং ৭ হাজার ৫১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। চীনের গিরং কাউন্টিতে ১৬ জনের মৃত্যু এবং ৫৪৬ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে তিব্বতে নেপাল সীমান্তের কাছে ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিকেরও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বেইজিং। খারাপ আবহাওয়ায় বারবার বন্ধ উদ্ধারকাজ দুর্যোগের ব্যাপকতা ও হিমালয়ের দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধার অভিযান আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। নেপালের স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, নতুন করে বৃষ্টিপাতের পর ত্রিশূলী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীদের অনেকে নিরাপদে উঁচু এলাকায় সরে গেছেন। এতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে খারাপ আবহাওয়া এবং নেপাল-চীন সীমান্তে সৃষ্ট একটি হ্রদ নিয়ে উদ্বেগের কারণে কয়েক দফায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। ওই হ্রদ থেকে পানি উপচে নেপালের লেন্দে খোলা ও ত্রিশূলী নদীতে প্রবাহিত হওয়ায় আরও বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে হ্রদটির বেশিরভাগ পানি নেমে যায়। তবে শনিবার রাতে ড্রোনে হ্রদের প্রায় ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার downstream এলাকায় নতুন একটি ভূমিধস শনাক্ত করা হয়েছে। টানেলে আটকে শত শত মানুষ নেপালে এখন উদ্ধারকাজের বড় অংশ কেন্দ্রীভূত হয়েছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলে আটকে থাকা শত শত মানুষকে উদ্ধারে। নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী জানিয়েছেন, টানেল থেকে উদ্ধারকাজ, ডিএনএ পরীক্ষা, মরদেহ সংরক্ষণের জন্য হিমায়িত ব্যবস্থা এবং পচে যাওয়া মরদেহ শনাক্তকরণসহ বিশেষায়িত বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞরা এরই মধ্যে টানেল খুলে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সহায়তা করছেন বলে জানান তিনি। পচতে শুরু করা মরদেহের গণদাফন এদিকে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে কয়েক দিন ধরে হাসপাতাল, মর্গ ও ত্রাণকেন্দ্রে ছুটে বেড়াচ্ছেন স্বজনরা। এর মধ্যেই নেপালে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি—এমন শত শত মরদেহ গণদাফন শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। চিটওয়ান জেলায় দুর্যোগের সরাসরি প্রভাব না পড়লেও বন্যাকবলিত রাসুয়া অঞ্চল থেকে ভেসে আসা মরদেহ নদীপথে নারায়ণী নদীতে পৌঁছেছে। অনেক মরদেহ পচে যাওয়ায় দ্রুত দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স এমএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>