জাতীয়

চীন থেকে অয়েল ট্যাংকার কিনতে সমঝোতা, আরও যাচাই-বাছাই হবে প্রকল্প

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
3 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
আমদানি করা জ্বালানি পরিবহনে বিদেশি জাহাজের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি পরিবহন সক্ষমতা জোরদারে দুটি আধুনিক অয়েল ট্যাংকার কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। ‘অ্যাকুইজিশন অব টু প্রডাক্ট অয়েল ট্যাংকার্স’ শীর্ষক এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ৪০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার ডেডওয়েট টন ধারণক্ষমতার দুটি অয়েল ট্যাংকার কেনা হবে। যার প্রাক্কলিত মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে পরিকল্পনা কমিশন চত্ত্বরে অবস্থিত এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে অয়েল ট্যাংকার কেনার বিষয়ে চীনের সঙ্গে একটা সমঝোতা সই হয়। এজন্য দ্বৈততা পরিহার ও আরও যাচাই-বাছাই করার জন্য প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, চীন থেকে অয়েল ট্যাংকার কেনার পরিকল্পনা আছে। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে সমঝোতা সই করেছেন। সেই কারণে এটা অনুমোদন করেনি। দ্বৈততার ব্যপার ঘটছে কি না এটা যাচাই করা হবে, কাজটা চলমান। একই প্রকল্প বার বার নেওয়া যায় না। সেটা বিবেচনা করে দ্বৈততা পরিহার করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আরও পড়ুন ঢামেক হাসপাতাল আধুনিকায়নে ১১৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানায়, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মাধ্যমে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো আমদানি করা পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহনে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজের ওপর নির্ভরতা কমানো। প্রকল্পের প্রস্তাবিত মেয়াদ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ধরা হলেও দ্রুত ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আরও আগেই জাহাজ দুটি সংগ্রহ করতে আশাবাদী ছিল কর্মকর্তারা। কিন্তু প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, সম্মিলিতভাবে প্রায় ১ লাখ টন ধারণক্ষমতার এই দুটি জাহাজ সংগ্রহ করে সচল রাখতে পারলে তা দেশের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি চমৎকার মজুত বা রিজার্ভ হিসেবেও কাজ করতে পারবে যা দেশের সীমিত সংরক্ষণাগার বা স্টোরেজ সক্ষমতার কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে প্রায় ২ হাজার ৬১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে তিনটি জাহাজ সংগ্রহের একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তবে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে পূর্বের পরিকল্পনাটি সংশোধন করে বর্তমানে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে দুটি জাহাজ কেনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, প্রকল্পের মোট ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি দুটি অয়েল ট্যাংকার ক্রয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য প্রস্তাবিত খরচের মধ্যে রয়েছে ব্যবস্থাপনার জন্য ৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, সাধারণ সরঞ্জামে ৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, পরামর্শক ব্যয় ৪৩ লাখ টাকা, আইনি ব্যয়ের জন্য ১ কোটি ৯৮ লাখ এবং ব্যাংক চার্জ বাবদ ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এছাড়া জাহাজ সংগ্রহ ও তদারকি সংক্রান্ত লজিস্টিকস এবং বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত ব্যয়ের প্রস্তাবও এই বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমওএস/এমআইএইচএস/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>