ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ উপনির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫৯৩ স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রশ্নে ইসি ও সরকারের সমন্বয়হীনতা প্রকাশ্যে কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের অর্ধেক সম্পদ বাজেয়াপ্ত ঢাবিতে পরপর তিন ককটেল বিস্ফোরণ আসিফ নজরুল: বিশ্বকাপ বয়কটের দায় আমারই আগামী বর্ষায় ঢাকায় আর রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি হবে না ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি: জড়িতদের শাস্তির দাবি শিক্ষক নেটওয়ার্কের
জাতীয়

পায়রার ভাঙনে বিলীন বাহেরচর গ্রাম, রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে ২০ পরিবার

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
5 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
পটুয়াখালীর দুমকীতে পায়রা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত কয়েক দিনের ভাঙনে নতুন করে অন্তত ২০টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে সরকারি রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছে। উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে এক কিলোমিটার ধরে দীর্ঘদিনের ভাঙনে এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। অনেকে বসতভিটা হারিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেলেও সামর্থ্যহীন পরিবারগুলো বারবার নদীর পাড়েই ঘর তুলে বসবাসের চেষ্টা করছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পাড় থেকে ঘরবাড়ি খুলে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো পরিবার এ পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত ঘর সরিয়ে নতুন করে বসতি গড়েছে। শেষ আশ্রয়টুকুও নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় অনেক পরিবার এখন রাস্তার ওপর মানবেতর জীবনযাপন করছে। নদীর পাড়ের বসতভিটা, গাছপালা ও জমি বিলীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ভাঙন অব্যাহত থাকায় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ৩২ নম্বর আঙ্গারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার, সিকদার বাড়ি জামে মসজিদ ও মোল্লা বাড়ি। দ্রুত ভাঙন ঠেকানো না গেলে দুটি বাড়িসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ভাঙনকবলিত এলাকায় কথা হয় সিরাজ মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ১০ বারের বেশি তার ভিটেমাটি নদীতে বিলীন হয়েছে। সর্বশেষ আশ্রয়টুকুও নদীগর্ভে চলে যাওয়ার পর বাধ্য হয়ে সরকারি রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছেন। এখন তার আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। ভিটেমাটি হারিয়ে দেড় শতাধিক পরিবার নিঃস্ব আক্ষেপ করে স্থানীয় বাসিন্দা আফজাল খান বলেন, কেউতো আমাগো দিকে চাইলো না ‘কত মানুষ আইলো কত কতা কইলাম, কামের কিছুই হইলো না। মিরাজ মৃর্ধা বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকেই এ গ্রামে নদীভাঙন চলছে। তার বয়সে পাঁচ থেকে ছয়বার বসতঘর পরিবর্তন করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত গ্রামে থাকার জায়গা নাই। আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহীন গাজী বলেন, পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে তার ওয়ার্ডটি এখন বিলুপ্তির পথে। দ্রুত ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘বাহেরচর গ্রামের অস্তিত্ব রক্ষায় দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’ একই সঙ্গে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহায়তা ও পুনর্বাসনে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন তিনি। দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করা হবে। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ মাহমুদ হাসান রায়হান/কেজে/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>