জাতীয়

বাকৃবির তিন ভবনে কর্মকর্তাদের তালা, উপাচার্যের আশ্বাসে অবমুক্ত

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কর্মকর্তাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ভবন, কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়সহ মোট তিনটি ভবনে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে উপাচার্যের আশ্বাসে রাতেই তালা খুলে দেওয়া হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কর্মকর্তাদের পর্যায়োন্নয়ন, কয়েকজন কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন, বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। বৃহস্পতিবার দিনভর ভবনগুলো তালাবদ্ধ রেখে আন্দোলন চলার কথা থাকলেও উপাচার্যের আশ্বাসে রাতেই ভবনের প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দেন তারা। কিন্তু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় সকালেও তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। বাকৃবির অফিসার পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি কৃষিবিদ ড. এ.কে.এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, নতুন উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর আমাদের অফিসার পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটিও দায়িত্ব নেয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর কর্মকর্তাদের পর্যায়োন্নয়ন নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। অফিসার পরিষদের নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়োন্নয়নে যোগ্য কর্মকর্তাদের সুযোগ পাওয়ার কথা। সামনে সিন্ডিকেট সভা থাকায় ১৩ থেকে ১৪ জন কর্মকর্তার পর্যায়োন্নয়নের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সিন্ডিকেটের আগে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তা সম্ভব নয় বলে উপাচার্য জানান। তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া কয়েকজন কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন ও বদলি নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন অফিসার পরিষদ। প্রধান প্রকৌশলীর চাকরির মেয়াদ আর চার-পাঁচ মাস থাকলেও তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তার চেয়েও তিন বছরের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এছাড়া অফিসার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বাবুকে এস্টেট বিভাগের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদের কার্যকরী কমিটির সদস্য সাইফুর রহমান খালিদকে উপাচার্যের সচিবালয় থেকে প্রকৌশল শাখায় বদলি করা হয়েছে। বাকৃবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি নির্ধারিত ৫টি \'স্ট্যাটিউটরি\' কর্মকর্তার পদ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এ পদগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদেরই পাওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, রেজিস্ট্রার পদটি ব্যতীত বাকি পদগুলোতে যেমন কন্ট্রোলার, ট্রেজারার ও প্ল্যানিং ডিরেক্টর পদে শিক্ষকদের নিয়োগ বা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের এসব জায়গায় দায়িত্ব পালনের জন্য আমাদের দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা রয়েছেন। আমাদের বক্তব্য হলো, এই পদগুলোতে শিক্ষকদের বদলে আমাদের উপযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদেরই বসাতে হবে। এই বিষয় নিয়েও গতকাল আমরা উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করেছি। কৃষিবিদ ড. এ.কে.এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ আরও বলেন, উপাচার্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার আশ্বাস দেন। এরপর রাতেই আমরা প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দিয়েছি। এই বিষয়ে বাকৃবির নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে ফোন করা হলে তিনি জরুরি সভায় উপস্থিত থাকায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। মুহাম্মদ সোহান/কেজে/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>