ব্রেকিং নিউজ
শ্রম অধিকার ও শিল্প খাতে সহযোগিতা জোরদারে আইএলও-ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের মতবিনিময় ওয়াকআউটে বিরোধীদল বের হয়ে গেলেও বসে রইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ মনে হয় আমি সবার টার্গেট, সুবিচার চাই: ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসান ঢাকার চারপাশে নদ-নদী রক্ষায় কেন্দ্রীয় সেল আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ‘বিরোধী দল দমনের চক্রান্ত ও ফ্যাসিবাদী পথ’: বিবৃতিতে নাহিদ-আখতার আগস্ট মাসে হামলা, আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৫১ সংবাদকর্মী: বিএজে জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষা চেয়ে রিট, পরবর্তী শুনানি রোববার একক গানে ফিরছেন ব্ল্যাকপিংকরা ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১০ বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থনীতি
জাতীয়

মনে হয় আমি সবার টার্গেট, সুবিচার চাই: ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসান

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও গায়ে ভেস্ট পরানো থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি বলেছেন, ‘মনে হয় আমি সবার টার্গেট। ট্রাইব্যুনালের কাছে সুবিচার চাই।’ তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন জিয়াউল আহসান। আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত অপহরণ, গুম, নির্যাতনসহ শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত দিনে ট্রাইব্যুনালে দশম সাক্ষীর জবানবন্দি দেন আব্বাস মল্লিক। আরও পড়ুন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য / বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়াউল জবানবন্দিতে নিজের ভাই আলকাছ মল্লিককে হত্যার জন্য জিয়াউল আহসানকে দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে গুম-খুনের বিভিন্ন বর্ণনা দিয়ে তার সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আব্বাসকে জেরা করেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান ও সাহিদুর রহমান। জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এই পর্যায়ে এজলাসে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুমতি চান জিয়াউল আহসান। কথা বলার অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। হাতকড়া, হেলমেট ও ভেস্ট নিয়ে অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের অনুমতি পেয়ে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকার সময় প্রশিক্ষণের সময় আমার কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা হয়েছিল। কিন্তু কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট এবং বুকে ভেস্ট বা জ্যাকেট পরানো হয়।’ এসব থেকে অব্যাহতি চেয়ে জিয়াউল বলেন, ‘মনে হয় আমি সবার টার্গেট। আমি সুবিচার চাই।’ আরও পড়ুন প্রসিকিউশন / ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের মতামত জানতে চাইলে প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি কারা কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার। তবে তার প্রতি আচরণে কোনো ব্যত্যয় হলে অথবা ট্রাইব্যুনালে হাজির করার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বে-আইনি কিছু করলে আদালত ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জানান তিনি। মিজানুল ইসলাম আরও বলেন, তার ধারণা, নিরাপত্তাজনিত কারণেই জিয়াউল আহসানকে এভাবে ট্রাইব্যুনালে আনা হচ্ছে। এরপর ট্রাইব্যুনাল জিয়াউলকে বলেন, ‘প্রসিকিউশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়ার স্বার্থেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ জবাবে জিয়াউল বলেন, ‘প্রিজনভ্যান থেকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানার দূরত্ব মাত্র পাঁচ গজ এবং গাড়ি থেকে নামানোর সময় প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকেন।’ তখন ট্রাইব্যুনাল মন্তব্য করেন, ‘পাঁচ গজ নয়, এক গজ থেকেও কেউ চাইলে স্নাইপারে টার্গেট করতে পারে।’ জবাবে জিয়াউল বলেন, ‘এখানে কাউকে টার্গেট করার কোনো দিক নেই এবং ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা অনেক বেশি। তাই চাইলেই কেউ তাকে টার্গেট করতে পারবে না।’ তিনি আবারও হাতকড়া, হেলমেট ও ভেস্ট পরানো থেকে অব্যাহতি চান। এফএইচ/ইএ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>