জাতীয়

শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ৭ মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি, অনেকে ফিরে এসেছে

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় গত সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে সবগুলো শিশুই নিখোঁজ থেকে যায়নি, এর একটি বড় অংশ পরবর্তীতে পরিবারের কাছে ফিরে আসে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে ঠিক কত শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি, সেই পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, গত সাত মাসের ডেটা তো আপনারা জানেন, ১৫ হাজার ৭১৭ জনের ব্যাপারে জিডি হয়েছে। আর ২০২৫-এর জুন থেকে ডিসেম্বর, এই সাত মাসে ১৩ হাজার ৮৭৬টা জিডি হয়েছে। শিশু নিখোঁজের জিডির সংখ্যা নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, একটি শিশু হারিয়ে গেলে পরিবার জিডি করে। কিন্তু সেই জিডির অর্থ এই নয় যে শিশুটি আর ফিরে আসেনি। বরং এর একটি বড় অংশ পরবর্তীতে ফিরে আসে। তিনি বলেন, আমরা হিসাব করতে পারি এর বিরাট একটা অংশ ফেরত আসে। কোনো কোনো পত্রিকা পরে ফলোআপ রিপোর্ট করেছে এবং এটাও মিডিয়ার কাজ আসলে। তবে নিখোঁজের ঘটনায় করা জিডির মধ্যে ঠিক কত শিশু আর ফিরে আসেনি, সেই তথ্য পুরোপুরি নেই জানিয়ে তিনি বলেন, এক্স্যাক্টলি কত শিশু আর ফিরে আসেনি এই ডেটাটা পুরোপুরি নেই আমাদের কাছে। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সম্প্রতি সাত মাসের সংখ্যাকে বাংলাদেশের জন্য একেবারে নতুন সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ এর আগের সাত মাসেও কাছাকাছি সংখ্যক জিডি হয়েছিল। তিনি জানান, ২০২৫ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৩ হাজার ৮৭৬টি জিডি হয়েছিল। বিপরীতে গত সাত মাসে হয়েছে ১৫ হাজার ৭১৭টি। অর্থাৎ দুই সময়ের সংখ্যার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য নেই। একই সময়ে প্রাপ্তবয়স্ক নিখোঁজের জিডির তথ্যও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সাত মাসে প্রাপ্তবয়স্ক ১৩ হাজার ৫৮০ জনের বিষয়ে জিডি হয়েছে। আগের সাত মাসে এ সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার ৩ জন। মানে সংখ্যাটা খুবই কাছাকাছি, একটা কম্পারেবল সংখ্যা। শিশু নিখোঁজের ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমি বলছি না আমাদের শিশুরা এভাবে হারিয়ে যাওয়াটা ঠিক আছে। তবে এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে একেবারে নতুন কোনো সংকট নয়। বিষয়টি তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিবেচনা করা উচিত।  তিনি বলেন, আমি এটা বলতে চাইছি যে এটা বাংলাদেশে একদমই কোনো নতুন সংকট না, এইরকম একটা সংখ্যা আমাদের আসলে আগেই ছিল। আমরা যেন এই ব্যাপারটা একটু কেয়ারফুল থাকি। এমএএস/এসএনআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>